Bartaman Logo
১৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কঠিন পরিস্থিতিতে যোগ দিলেন উপাচার্য প্রণব ঘোষ  

কঠিন পরিস্থিতিতে যোগ দিলেন উপাচার্য প্রণব ঘোষ
 
  • ২২ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, পতিরাম: দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধ ইন্টারনেট টেলিফোন। এমনকী বন্ধ অধ্যাপক ও কর্মীদের বেতনও। কঠিন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলেন উপাচার্য প্রণব ঘোষ। নিয়োগপত্র পাওয়ার প্রায় দেড় মাস পর তিনি যোগ দিলেন। এদিন বালুরঘাটে এসে চেয়ারে প্রণাম করে কাজে যোগ দিয়েই পরিকাঠামো উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ নিলেন উপাচার্য প্রণব ঘোষ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে দেড় মাস না আসায় যে অচলবস্থা তৈরি হয়েছে, তার দায় এড়ালেন তিনি। এজন্য আগের উপাচার্যের উপরেই দায় চাপালেন নতুন উপাচার্য। 
Advertisement
উপাচার্য প্রণব ঘোষ বলেন, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার অনেক ছাত্রছাত্রী। তাদের পরীক্ষার জন্য আমার আসতে দেরি হয়েছে। এজন্য সমস্যা তৈরি হয়নি, সমস্যা তৈরি হয়েছে আগের উপাচার্য ছেড়ে দেওয়ার জন্য। এখানে যিনি উপাচার্য ছিলেন, তিনি ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণেই সমস্যা তৈরি হয়েছে। 
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ১১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক প্রণব ঘোষের নাম ঘোষণা করে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তর। এরপরেই আগের উপাচার্য দেবব্রত মিত্র দায়িত্ব ছেড়ে চলে যান। এরপর দেড় মাস কেটে গেলেও নতুন উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেননি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় নতুন নতুন সমস্যা সৃষ্টি হয়। উপাচার্য বলেন, বালুরঘাট স্বাক্ষরতার শতাংশের নিরিখে গোটা দেশের মধ্যে সামনের সারিতে রয়েছে। এদিন কাজে যোগ দিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক সমস্যা আছে। সেগুলি কাটিয়ে তোলা আমার কাছে এখন চ্যালেঞ্জ। রাজ্য উচ্চশিক্ষা দপ্তর এবং রাজ্যপাল আমাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বিশ্ববিদ্যালয়ে এগজিকিউটিভ কাউন্সিল খুলতে হবে, বোর্ড খুলতে হবে। বিজ্ঞান এবং কলা বিভাগের ডিন নিযুক্ত করতে হবে। এত কিছু না থাকা সত্ত্বেও দুই-তিনটি ব্যাচ বেরিয়ে গিয়েছে। এটা খুবই ভালো। আগামীতে হিউম্যান রিসোর্স ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পড়াশোনার উপর জোর দেওয়া হবে। 
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় বালুরঘাট থেকে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এব্যাপারে উপাচার্য বলেন, আমি জায়গা দেখিনি। শুনেছি জায়গা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। জমি মোটামুটি রয়েছে। বালুরঘাট জেলা সদর শহর। যদি বাইরে পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া যায়, তাহলে জায়গার স্বার্থে এলাকাবাসীর কম্প্রোমাইজ করতে হবে। বাইরে এবং সেন্টারের কোথাও জমি পেলে ক্ষতি নেই। পড়ুয়া এবং জায়গার স্বার্থে দুই তরফেই সহায়তা করতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আগে দেখতে হবে। অন্যদিকে, রেজিস্ট্রার এবং কন্ট্রোলার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন না। এনিয়ে উপাচার্য বলেন, সমস্যা তাড়াতাড়ি মিটে যাবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ