Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ম্যাগাজিন

কথায় কথায় হাঁচি পড়ে? অ্যালার্জি-অ্যাজমা আছে বুঝবেন কী করে?

কথায় কথায় হাঁচি পড়ে? অ্যালার্জি-অ্যাজমা আছে বুঝবেন কী করে?
  • ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
পরামর্শে বিশিষ্ট পালমোনোলজিস্ট ডাঃ ধীমান গঙ্গোপাধ্যায়।
Advertisement
অনেকেই মনে করেন অ্যালার্জি এবং অ্যাজমাজনিত সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে। অনেকেই মনে করেন— আগেকার দিনের মানুষ এত অ্যালার্জি অ্যাজমায় ভুগত না যতখানি আমরা ভুগি। ১৫-২০ বছর আগে এই নিয়ে কিছু ধারণা এবং গবেষণাও হয় যাকে ‘হাইজিন হাইপোথিসিস’ বলে। ওই ধারণা অনুসারে, আমরা আধুনিক মানুষ হিসেবে রোজকার জীবনকে যত বেশি জীবাণুমুক্ত করে তুলছি বা যত বেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়ার উপর জোর দিচ্ছি, আগে তেমনটি ছিল না। আগে পরিবেশের নানা উপাদানের সংস্পর্শে আসার সুযোগ পেত মানবশরীর। এর ফলে সেই সকল উপাদানের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও তৈরি হয়ে যেত। এখন বাবা-মায়েরা সন্তানকে এতখানিই নিরাপত্তার বলয়ের মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলছেন যে বাচ্চা মাটি নিয়েও খেলতেও শিখছেন না। এর ফলে যখনই ওই বাচ্চাটি বড় হচ্ছে, পরিবেশের নানা উপাদানের সংস্পর্শে তিনি আসছে যখনই তাঁর শরীরের কাছে উপদানগুলি সম্পূর্ণ অজানা বিষয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। 
হাইজিন হাইপোথিসিস অনুসারে তাই বাচ্চাদের একটু মাটি নিয়ে খেলতে দেওয়া, বাড়ির বাইরে মাঠেঘাটে খেলতে যেতে দেওয়া দরকার। তাতে শরীরের ইমিউনিটি বৃদ্ধি পাবে ও অ্যাজমা-অ্যালার্জির মতো সমস্যাও সম্ভবত দূরে থাকবে। তবে হাইজিন হাইপোথিসিস নিয়ে চর্চা খুব বেশিদূর গড়ায়নি। তার কারণ একাধিক গবেষণার পরেও এই ধারণার পক্ষে সেভাবে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এখন প্রশ্ন হল হাইজিন হাইপোথিসিস-এর উত্থান হল কেন?
আসলে অ্যালার্জি হয় অ্যালার্জেন থেকে। অ্যালার্জেন কী? সোজা করে বললে বিষয়টি এইরকম— শরীরে যদি এমন কোনও প্রোটিন বা বস্তু  প্রবেশ করে যা আসলে আমাদের দেহের বাইরের প্রোটিন বা ফরেন বডি, তাহলে দেহের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা নানা ভাবে সেই বাইরের বস্তুকে বা প্রোটিনকে শরীরের বাইরে বের করে দিতে চায়। ঠিক এই কারণেই কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করার সময় দাতা ও গ্রহীতার টিস্যু ম্যাচিং করতে হয়। এমনকী স্কিন গ্র্যাফটিং করার সময়েও করতে হয় ম্যাচিং। এমনকী ট্রান্সপ্লান্টের পরেও গ্রহীতার শরীরে ‘অর্গ্যান রিজেকশন’ রোখার জন্য তাকে নানারকম ওষুধ খেতে হয়।  মোট কথা হল শরীরে ফরেন প্রোটিন ঢুকলে শরীর প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করবেই। এই প্রতিক্রিয়াকে কাজে লাগিয়েই তৈরি হয়েছে প্রাণদায়ী ভ্যাকসিন। ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে কোনও ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াকে  করে শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে ওই ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াকে শরীর চিনে নেয় ও তার বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এরপর কোনওভাবে ওই ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সঙ্গে সঙ্গে অ্যান্টিবডির সাহায্যে ওই ভাইরাস বা প্রোটিনের দফারফা করে। এভাবেই চিকেন পক্স, স্মল পক্স, পোলিও মায়েলাইটিস ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়ে গিয়েছে ও পৃথিবী থেকে অসুখগুলি বিলুপ্তও হয়ে গিয়েছে। তবে উলটো ঘটনাও ঘটে। অর্থাৎ একটি ফরেন প্রোটিন ঢুকল এবং তার ফলে শরীরে প্রতিক্রিয়া তৈরি হল। এর ফলে হতে পারে অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস, অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এবং অ্যাজমা। এই ধরনের সব সমস্যাগুলিই অ্যালার্জির কারণে হতে থাকে।
অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস: এই অসুখটিকে অনেকে এগজিমা হিসেবেও চেনেন।  অত্যন্ত অস্বস্তিকর এই অসুখে আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। খোসা ওঠে।  চিকিৎসা জটিল। শীতকালে অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিসের উপসর্গ জটিল হতে পারে। চিকিৎসকরা সাধারণত ময়েশ্চারাইজার ওষুধ দিয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণ করেন। এছাড়া দরকার পড়লে আরও কিছু ওষুধ দেওয়া হয়।
অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: এই অসুখে অনবরত হাঁচি পড়ে। নাক চুলকায়। নাক দিয়ে অনবরত জল পড়ে এবং নাক বন্ধ হয়ে যায়। কারও কারও আবার চোখ দিয়েও জল পড়ে। চোখ লাল হয়ে যায়।
অ্যাজমা: অ্যাজমা হল শ্বাসনালীর দীর্ঘস্থায়ী অসুখ। এই অসুখে মূলত শ্বাসনালী ফুলে গিয়ে সংকুচিত হয়ে যায়। এমনকী অতিরিক্ত শ্লেষ্মাও তৈরি হতে পারে। রোগী শ্বাস গ্রহণের সময় কষ্ট হয়। এছাড়া রোগীর বারংবার কাশি হতে পারে। কখনও কখনও উপসর্গের বাড়াবাড়ি হতে পারে। 
অ্যালার্জি টেস্ট করিয়ে কি লাভ হয়?
এখন কোন কোন বিষয় থেকে এমন অ্যালার্জি হচ্ছে তা রোগী জানতে চান। অ্যালার্জি টেস্টের মাধ্যমে ঠিক কোন বিষয় বা কোন কোন বিষয় থেকে অ্যালার্জি হচ্ছে তা জানা যায়। মুশকিল হল এই ধরনের অ্যালার্জি টেস্টের রিপোর্টে এতগুলি বিষয় এড়িয়ে চলার বিষয়ে সেখানে লেখা থাকে যে সেগুলি জীবন থেকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে চলা এককথায় অসম্ভব।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, টেস্টের রিপোর্টে হয়তো দেখা যায় মুগ ডাল, আটা, বেগুন, ডিম, পাঁঠার মাংস, মশলা— এমন একাধিক খাদ্য খাওয়ার উপর পড়ে যায় নিষেধাজ্ঞার খাঁড়া।
কীভাবে করা হয় পরীক্ষা?
অ্যালার্জি টেস্ট দুই রকমের হয়— ১) স্কিন প্রিক টেস্ট। ২) রক্ত পরীক্ষা।
স্কিন প্রিক টেস্ট-এ হরেক রকমের অ্যালার্জেন নিয়ে ত্বকে সুচের সাহায্যে প্রবেশ করানো হয়। এরপর ঠিক কোন অ্যালার্জেনের কারণে এমন প্রতিক্রিয়া হচ্ছে তা বোঝার চেষ্টা করা হয়। 
এছাড়া রক্ত পরীক্ষা করেও দেখা হয় কোন কোন বিষয় থেকে অ্যালার্জি হতে পারে ওই ব্যক্তির।
তবে ওই যে বলা হল, অ্যালার্জি টেস্ট করানোর পর একাধিক বস্তুর উপর নেমে আসতে পারে নিষেধাজ্ঞার খাঁড়া। তাই চিকিৎসকরা সাধারণত এই টেস্ট করাতে দেন না। একমাত্র যখন সবরকম ওষুধ প্রয়োগ করেও সুফল মেলে না তখনই এই টেস্ট করানো হয়। কারণ অ্যাসপারগিলাস নামে একটি ফ্যাঙ্গাস আছে যার কারণে অ্যালার্জির সমস্যা হলে তা সহজে সারতে চায় না। এই ধরনের অ্যাজমা একটু ভিন্ন ধরনেরও হয়। তাই রোগ না সারতে চাইলে এই ধরনের ফ্যাঙ্গাসজনিত অ্যাজমা আছে কি না জানতে অ্যালার্জি পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়। অ্যাসপারগিলাস পজিটিভ বেরলে সেক্ষেত্রে তার চিকিৎসা একটু ভিন্ন। 
অ্যালার্জি-অ্যাজমার চিকিৎসা
চিকিৎসক রোগীকে এমন কিছু ওষুধ দেন যাতে ওই অ্যালার্জিক রিয়্যাকশন আটকানো যায়। এক্ষেত্রে দুই রকম ওষুধ আছে— ১) অ্যালার্জিক রিয়্যাকশন প্রতিরোধ করার ওষুধ। ২) অ্যালার্জিক ম্যানিফেস্টশন অর্থাৎ বুকে সাঁই সাঁই শব্দ হচ্ছে, রোগী হাঁফাচ্ছেন এমন  হলে সেই উপসর্গ কমানোর ওষুধ দিতে হয়।
ওষুধ নিয়ে বিস্তারিত
যে ধরনের ওষুধে রোগী তৎক্ষণাৎ উপশম পান সেগুলিকে বলে ব্রঙ্কোডায়ালেটর। কারণ মূলত শ্বাসনালী সঙ্কুচিত হয়েই শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়। ওষুধের সাহায্যে শ্বাসনালী খুলে দেওয়ার কিছু ওষুধ আছে। এই ওষুধকে  ইনহেলারের মতো করে নিতে যায়। আর একটি হল রোগ প্রতিরোধী বা অ্যাটাক আটকানোর ওষুধ যেটিকে স্টেরয়েড আকারে নেওয়া হয়। অনেকেরই সন্দেহ থাকে স্টেরয়েড কোনও ক্ষতি করবে না তো? এক্ষেত্রে বলি, ওষুধটি শুধুমাত্র ব্রঙ্কাসের উপর প্রভাব ফেলে। সারা শরীরের অন্য কোনও অংশে যায় না। ফলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কাও থাকে না। এছাড়া মন্টিলুকাস্ট জাতীয় ওষুধ রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধক ওষুধ হিসেবে কাজে আসে।
এখন আরও নতুন ধরনের ব্রঙ্কোডায়ালেটর এসে গিয়েছে। একসঙ্গে দু’টি ব্রঙ্কোডায়ালেটরও দেওয়া হচ্ছে যাতে প্রভাব আরও ভালো হয়। এই হল মোটামুটি অ্যালার্জি-অ্যাজমার চিকিৎসা ও ওষুধ।
মনে রাখবেন
অ্যালার্জি সম্পূর্ণভাবে জেনেটিক ডিজিজ। অর্থাৎ কোনও একজন ব্যক্তির ত্বক, চুলের রং যেমন তার জিন ঠিক করে দেয় তেমনই অ্যালার্জি হওয়ার বিষয়টিও জিনে সুপ্ত অবস্থায় থাকে।
তবে সবসময় যে অ্যালার্জি-অ্যাজমায় সারাজীবনই ভোগান্তি হবে, একেবারেই সারার সম্ভাবনা নেই এমন নয়। এমন বহু রোগী রয়েছেন যাঁদের ছোটবেলায় হয়তো অ্যাজমা ছিল, তবে ১২-১৪ বছর বয়সের পর থেকে আর সমস্যা হতে দেখা যায়নি। এরপর হয়তো ৫০ বছর বয়সে গিয়ে ফের অ্যালার্জি-অ্যাজমার সমস্যা মাথাচাড়া দিল! অর্থাৎ অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়টি ঢেউ-এর মতো জটিলতা হিসেবে প্রকাশ যেতে পারে। তবে সম্পূর্ণ আরোগ্যলাভ সম্ভব নয়। কারণ অসুখটি রয়েছে জিনের মধ্যে! পরিবেশের প্রভাব ও শারীরিক অবস্থার উপরেই নির্ভর করবে সমস্যা মাথাচাড়া দেবে কি না!
অ্যাজমার সমস্যা কি দিন দিন বাড়ছে?
অ্যালার্জি-অ্যাজমার সমস্যা বাড়ছে কি না তা বুঝতে বহু গবেষণা হয়েছে। সেই গবেষণাতেই বেরিয়ে এসেছে একাধিক তথ্য— ইউরোপেরই দু’টি দেশ ইংল্যান্ড এবং গ্রিসের মধ্যে তুলনা করে দেখা গিয়েছে ইংল্যান্ডে অনেক বেশি সংখ্যক মানুষ অ্যাজমার সমস্যায় ভোগেন। তেমনই অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডেও অ্যাজমার প্রকোপ যথেষ্ট বেশি। অথচ নিউজিল্যান্ড অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন দেশ। সেভাবে কলকারখানাও নেই। চাষবাস, ভেড়া প্রতিপালনই প্রধান জীবীকা। কাজেই কেন ওই দেশে অ্যাজমার প্রকোপ বেশি তা নিয়ে চলছে গবেষণা।
আমাদের দেশ অ্যাজমা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে এবং গত ২০-২৫ বছরে আমরা নতুন ওষুধও পেয়েছি। ফলে অসুখটি নিয়ন্ত্রণ করাও অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। এছাড়া এখন যেহেতু অ্যাজমা সম্পর্কে আমরা এখন অনেক বেশি, জানি তাই রোগী নির্ভর চিকিৎসা দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে অনেক বেশি। অর্থাৎ দু’জন ব্যক্তির অ্যাজমা হলেও চিকিৎসা একই হবে এমন কোনও অর্থ নেই। ফলে আগের তুলনায় চিকিৎসায় এখন অনেক ভালো ফল মিলছে।
অ্যাজমা এবং পরিবেশ দূষণ
বায়ুদূষণের জন্য অ্যাজমা হয়েছে এমন কোনও প্রমাণ আমাদের হাতে নেই। তবে যাঁর অ্যাজমা আছে তিনি দূষিত পরিবেশে থাকলে তাঁর উপসর্গের অবনতি অবশ্যই হয়। শীতকালেও শুষ্ক পরিবেশের জন্য বাতাসে বাড়ে ধূলিকণার পরিমাণ। এই কারণেই শীতকালে অ্যাজমার রোগীর কষ্ট বাড়ে। 
ফুড অ্যালার্জি
ফুড অ্যালার্জি একটু স্বল্প পরিচিত সমস্যার মধ্যে পড়ে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই সমস্যা প্রকাশ পেতে পারে। এমনকী ফুড অ্যালার্জি থেকে প্রাণ নিয়ে টানাটানি পড়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে যাকে চিকিৎসা পরিভাষায় অ্যানাফাইল্যাকটিক শক বলা হয়।
উপসর্গ
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, চিংড়ি মাছ খেয়ে রোগীর সারা গায়ে চাকা চাকা লাল রঙের র‌্যাশ বেরিয়েছে। সঙ্গে রয়েছে শ্বাসকষ্ট। এমন ক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে না নিয়ে গেলে রোগীর প্রাণ রক্ষা করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।
তবে শুধু চিংড়ি নয়, কাঁকড়ার, অয়েস্টারের মতো শেলফিশ সহ অন্যান্য সামুদ্রিক খাদ্যে অনেকেরই অ্যালার্জি থাকে। এই ধরনের খাদ্য খাওয়ার পর ত্বকে যে বিশেষ ধরনের চাকা চাকা র‌্যাশ বেরয় তাকে চিকিৎসা পরিভাষায় বলে আর্টিকেরিয়া বা আমবাত। এমন ক্ষেত্রে যে খাদ্যে অ্যালার্জি তা পুরোপুরি খেতে নিষেধ করা হয় রোগীকে।
অ্যালার্জি-অ্যাজমার ভ্যাকসিন
অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞরা একটি বিশেষ ভ্যাকসিন নিয়ে কথা বলছেন, যে ভ্যাকসিনটি অনেক দিন ধরে নিলে অ্যাজমার অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা কমে। তবে ভ্যাকসিনটি নিয়ে সমগ্র বিশ্বে সেভাবে কোনও স্টাডি নেই। ফলে এখনই ভরসা করার মতো কিছু বলা যাচ্ছে না।
অনুলিখন: সুপ্রিয় নায়েক
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ