নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে ছেলে ক্ষমা চেয়েছেন। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা খোরপোশের মামলা তুলে নিলেন এক বৃদ্ধা। কলকাতা বেলেঘাটা মেইন রোডের বাসিন্দা ওই বৃদ্ধার নাম জয়া পাল। বুধবার শিয়ালদহ আদালতে তিনি তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে ওই প্রত্যাহারের আর্জি জানান। প্রাথমিক শুনানির পর সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে বিচারক ওই আর্জি মঞ্জুর করেন।
Advertisement
৭২ বছর বয়সি বৃদ্ধা জয়াদেবী বলেন, নুন-ভাত যাই জুটুক, ভালোয় ভালোয় জীবনের বাকি দিনগুলি ছেলের কাছেই কাটিয়ে দেব। ছেলে ভুল বুঝতে পেরেছে, এটাই আমার বড় শান্তি। জয়াদেবীর আইনজীবী সুমিত দাস বলেন, এর থেকে আনন্দের আর কী থাকতে পারে। আমার মক্কেল ভালো করে জীবন কাটান, এটাই আমাদের কাম্য। কোথাও হয়ত একটা সমস্যা হয়েছিল। সেটা যে মিটে গিয়েছে, এটাই ভালো লাগছে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ওই বৃদ্ধা শিয়ালদহ আদালতে এই খোরপোশের মামলা দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ শুনানির শেষে এক অন্তর্বর্তী রায়ে আদালত বৃদ্ধার ছেলে সজল পালকে প্রতিমাসে চার হাজার টাকা করে খোরপোশ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি চলছিল মূল মামলার শুনানি। এদিকে, কোর্টের এই নির্দেশের পরেই ছেলে প্রতিমাসে খোরপোশের টাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এর মাঝে সম্প্রতি সজলবাবু রবীন্দ্র সরণিতে বোনের বাড়িতে থাকা তাঁর মাকে বুঝিয়ে‑সুজিয়ে বেলেঘাটা মেইন রোডের বাড়িতে নিয়ে আসেন। এ ক্ষেত্রে তাঁর বোন সুতপা পাল সাহা নানাভাবে সহযোগিতা করেন। বাড়িতে মাকে ফিরিয়ে এনে তাঁর কাছে ক্ষমা চান ছেলে। এরপরই বৃদ্ধা সিদ্ধান্ত নেন, ছেলের বিরুদ্ধে খোরপোশের মামলা তিনি তুলে নেবেন।
কী কারণে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল? আদালতে বৃদ্ধার অভিযোগ ছিল, তিনি নানা অসুখ‑বিসুখে ভোগা সত্ত্বেও ছেলে ঠিক মতো তাঁর দেখাশোনা করছিল না। ফলে নানা সময় ওষুধপত্র কেনার জন্য মেয়ে‑জামাইয়ের কাছে তাঁকে হাত পাততে হতো। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই তিনি তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে এই মামলা করেছিলেন। বুধবার ছেলে সজলবাবু বলেন,মায়ের সঙ্গে কথা বলে সব মিটিয়ে নিয়েছি। এখন আর কোনও সমস্যা নেই।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ওই বৃদ্ধা শিয়ালদহ আদালতে এই খোরপোশের মামলা দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ শুনানির শেষে এক অন্তর্বর্তী রায়ে আদালত বৃদ্ধার ছেলে সজল পালকে প্রতিমাসে চার হাজার টাকা করে খোরপোশ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি চলছিল মূল মামলার শুনানি। এদিকে, কোর্টের এই নির্দেশের পরেই ছেলে প্রতিমাসে খোরপোশের টাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এর মাঝে সম্প্রতি সজলবাবু রবীন্দ্র সরণিতে বোনের বাড়িতে থাকা তাঁর মাকে বুঝিয়ে‑সুজিয়ে বেলেঘাটা মেইন রোডের বাড়িতে নিয়ে আসেন। এ ক্ষেত্রে তাঁর বোন সুতপা পাল সাহা নানাভাবে সহযোগিতা করেন। বাড়িতে মাকে ফিরিয়ে এনে তাঁর কাছে ক্ষমা চান ছেলে। এরপরই বৃদ্ধা সিদ্ধান্ত নেন, ছেলের বিরুদ্ধে খোরপোশের মামলা তিনি তুলে নেবেন।
কী কারণে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল? আদালতে বৃদ্ধার অভিযোগ ছিল, তিনি নানা অসুখ‑বিসুখে ভোগা সত্ত্বেও ছেলে ঠিক মতো তাঁর দেখাশোনা করছিল না। ফলে নানা সময় ওষুধপত্র কেনার জন্য মেয়ে‑জামাইয়ের কাছে তাঁকে হাত পাততে হতো। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই তিনি তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে এই মামলা করেছিলেন। বুধবার ছেলে সজলবাবু বলেন,মায়ের সঙ্গে কথা বলে সব মিটিয়ে নিয়েছি। এখন আর কোনও সমস্যা নেই।



