ফিরদৌস হাসান, শ্রীনগর: তুষারাবৃত ভূস্বর্গের সৌন্দর্য্য কার না ভালো লাগে। তারসঙ্গে বাড়তি পাওনা সারি সারি চিনার গাছ। কিন্তু নগরায়নের জেরে আজ সঙ্কটে ঐতিহ্যবাহী চিনার গাছ। এবার সেই গাছ বাঁচাতে অভিনব উদ্যোগ নিল জম্মু ও কাশ্মীর সরকার। গাছগুলিকে রক্ষা করতে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি গাছে জি আই ট্যাগ লাগানো থাকবে। ফলে প্রতিটি গাছের তথ্য থাকবে বনদপ্তরের কাছে।
Advertisement
জম্মু ও কাশ্মীর বনদপ্তর সূত্রে খবর, চিনার গাছ নিয়ে ডেটাবেস তৈরি করা হবে। সেইসঙ্গে জি আই ট্যাগ দেওয়া হবে প্রত্যেকটি গাছে। আধার কার্ডের মতো প্রতিটি গাছে দেওয়া হবে স্বতন্ত্র কিউআর কোড। লোকেশন, গাছের বেড়ে ওঠা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য মিলবে কিউআর কোডে। সেইসঙ্গে গাছগুলির বয়স, আশেপাশের পরিবেশ, কেউ গাছের ক্ষতি করেছে কি না, তাও জানা যাবে। বনদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, চিনার গাছ কাশ্মীরের সংস্কৃতির সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে। তাই ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে গাছগুলিকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
প্রথমে চিনার গাছগুলির উপর সমীক্ষা চালানো হবে। তারপরে ডিজিটাল প্লেট বসানো হবে। ইতিমধ্যেই গাছের সমীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী তারিক ভাট বলেন, প্রতিটি জেলার জন্য পৃথক রেজিস্টার তৈরি হবে। নতুন করে চিনার গাছ পোঁতা হলে সেই তথ্যও লেখা হবে। পাশাপাশি চিনার গাছ সংরক্ষণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার প্রচারও চালাবে প্রশাসন। তথ্য বলছে, একটি চিনার গাছ পুরোপুরি বড় হতে প্রায় ১৫০ বছর পর্যন্ত সময় লাগে। প্রায় ৩০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে গাছগুলি। সত্তরের দশকে কাশ্মীরে প্রায় ৪২ হাজার চিনার গাছ ছিল। বর্তমানে তা কমে ৩৪ হাজারের মধ্যে দাঁড়িয়েছে। তাই এবার চিনার গাছ সংরক্ষণে এগিয়ে এসেছে ওমর আবদুল্লার সরকার।
প্রথমে চিনার গাছগুলির উপর সমীক্ষা চালানো হবে। তারপরে ডিজিটাল প্লেট বসানো হবে। ইতিমধ্যেই গাছের সমীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী তারিক ভাট বলেন, প্রতিটি জেলার জন্য পৃথক রেজিস্টার তৈরি হবে। নতুন করে চিনার গাছ পোঁতা হলে সেই তথ্যও লেখা হবে। পাশাপাশি চিনার গাছ সংরক্ষণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার প্রচারও চালাবে প্রশাসন। তথ্য বলছে, একটি চিনার গাছ পুরোপুরি বড় হতে প্রায় ১৫০ বছর পর্যন্ত সময় লাগে। প্রায় ৩০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে গাছগুলি। সত্তরের দশকে কাশ্মীরে প্রায় ৪২ হাজার চিনার গাছ ছিল। বর্তমানে তা কমে ৩৪ হাজারের মধ্যে দাঁড়িয়েছে। তাই এবার চিনার গাছ সংরক্ষণে এগিয়ে এসেছে ওমর আবদুল্লার সরকার।



