মহিশূর, ১০ ডিসেম্বর: বেঙ্গালুরু শহরের নবরূপকার তথা কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণ প্রয়াত। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। গতকাল, সোমবার গভীর রাতে বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এস এম কৃষ্ণ।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। শুধুমাত্র কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী নন, তিনি বিদেশমন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। এমনকী বেশ কিছুদিন তিনি রাজ্যপালও হয়েছিলেন। বেঙ্গালুরুকে তথ্য প্রযুক্তি কেন্দ্রের গড় হিসেবে তৈরি করাতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। এস এম কৃষ্ণের হাত ধরেই বিশ্বের দরবারে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৌঁছেছে বেঙ্গালুরু শহর।
১৯৩২ সালের ১ মে মহিশূরের মান্ড্য জেলার সোমানাহাল্লিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এস এম কৃষ্ণ। ১৯৬২ সালে কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মাড্ডুর কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। সেই নির্বাচনে কংগ্রেসের জনপ্রিয় নেতা কেভি শঙ্করগৌড়াকে হারিয়ে বিধায়ক হন এস এম কৃষ্ণ। ১৯৬৮ সালে মান্ড্য লোকসভা আসনের উপ নির্বাচনে ভোটে দাঁড়িয়েও জেতেন তিনি। যদিও সংসদে বেশিদিন মন বসেনি তাঁর। তাই ১৯৭২ সালে রাজ্য রাজনীতিতে ফিরে আসেন এই বর্ষীয়ান নেতা। যদিও ১৯৮০ সালে ফের সাংসদ হয়ে লোকসভায় গিয়েছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন। ১৯৯৯ সালে কর্ণাটকে তাঁর নেতৃত্বে কংগ্রেস ক্ষমতা দখল করে। সেই সময়ে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন এস এম কৃষ্ণ। ২০০৪ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের রাজ্যপালের পদেও নিযুক্ত ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় বিদেশমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এস এম কৃষ্ণের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে কর্ণাটকের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু সহ বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শোকজ্ঞাপন করেছেন। বর্ষীয়ান নেতার প্রয়াণে রাজ্যে আগামী তিনদিন শোকপালন করা হবে বলে জানিয়েছে কর্ণাটক সরকার।
আগামী কাল, বুধবার পূর্ণরাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে এস এম কৃষ্ণের, জানিয়েছেন কর্ণাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। ইতিমধ্যেই তাঁর বাসভবনে পৌঁছেছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিজেপি নেতা-বিধায়করা।
১৯৩২ সালের ১ মে মহিশূরের মান্ড্য জেলার সোমানাহাল্লিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এস এম কৃষ্ণ। ১৯৬২ সালে কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মাড্ডুর কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। সেই নির্বাচনে কংগ্রেসের জনপ্রিয় নেতা কেভি শঙ্করগৌড়াকে হারিয়ে বিধায়ক হন এস এম কৃষ্ণ। ১৯৬৮ সালে মান্ড্য লোকসভা আসনের উপ নির্বাচনে ভোটে দাঁড়িয়েও জেতেন তিনি। যদিও সংসদে বেশিদিন মন বসেনি তাঁর। তাই ১৯৭২ সালে রাজ্য রাজনীতিতে ফিরে আসেন এই বর্ষীয়ান নেতা। যদিও ১৯৮০ সালে ফের সাংসদ হয়ে লোকসভায় গিয়েছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন। ১৯৯৯ সালে কর্ণাটকে তাঁর নেতৃত্বে কংগ্রেস ক্ষমতা দখল করে। সেই সময়ে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন এস এম কৃষ্ণ। ২০০৪ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের রাজ্যপালের পদেও নিযুক্ত ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় বিদেশমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এস এম কৃষ্ণের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে কর্ণাটকের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু সহ বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শোকজ্ঞাপন করেছেন। বর্ষীয়ান নেতার প্রয়াণে রাজ্যে আগামী তিনদিন শোকপালন করা হবে বলে জানিয়েছে কর্ণাটক সরকার।
আগামী কাল, বুধবার পূর্ণরাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে এস এম কৃষ্ণের, জানিয়েছেন কর্ণাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। ইতিমধ্যেই তাঁর বাসভবনে পৌঁছেছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিজেপি নেতা-বিধায়করা।



