Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কর্মসংস্থানে দেউচা পাচামি ছাপিয়ে যাবে আসানসোল-দুর্গাপুরকেও, আশাবাদী অনুব্রত 

কর্মসংস্থানে দেউচা পাচামি ছাপিয়ে যাবে আসানসোল-দুর্গাপুরকেও, আশাবাদী অনুব্রত 
  • ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: এক সময়কার অজ পাড়াগাঁ দেউচা পাচামি ইতিমধ্যে এশিয়ার বৃহত্তম কয়লা ব্লক হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে সেখানে খনন শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রথমে মাটির নীচে থাকা ব্যাসল্ট তারপরই ধাপে ধাপে কয়লা তোলা শুরু হবে। অন্যদিকে, জেলা প্রশাসনের তরফে ওই এলাকার বাসিন্দাদের কর্মসংস্থানের দিকটিতেও জোর দেওয়া হয়েছে। পুনর্বাসন প্যাকেজের বাইরেও স্থানীয়দের চুক্তি ভিত্তিতে প্রকল্প এলাকায় নানা কাজে নিযুক্ত করা হচ্ছে। তাছাড়াও সেখানে কর্ম সংস্থানের পথ প্রশস্ত হচ্ছে। এসআরডিএ-র চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডলের আশা, আগামীতে দেউচা পাচামি আসানসোল ও দুর্গাপুরকেও ছাপিয়ে যাবে। সোমবার মহম্মদবাজার ব্লকের টুরকু হাঁসদা কমিউনিটি হল থেকে প্রকল্প এলাকার বাসিন্দাদের হাতে সংশোধিত জমির নথি তুলে দেওয়া হয়। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েই অনুব্রত মণ্ডল এই উক্তি করেন। সেই সঙ্গে, কারও কথায় স্থানীয়দের বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শও তিনি দিয়েছেন। পাশাপাশি আগামীতে দেউচা পাচামিতে যে বিপুল কর্মসংস্থান হতে চলেছে সেই বিষয়টিও ফের একবার স্পষ্ট করলেন।
Advertisement
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই গত সপ্তাহের লক্ষ্মীবারে চাঁদা মৌজায় ভূমি পুজো হয়। সেইসঙ্গে ১২ একর সরকারি জমির ওপর খনন কাজেরও আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। সেইসঙ্গে সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধানে জেলা প্রশাসনের তরফে পৃথক চারটি ক্যাম্প চালু করা হয়েছিল। গত সপ্তাহের শুক্রবার থেকে নিয়মিত সেই ক্যাম্পগুলি চলছে। মূলত জমির নথি সংক্রান্ত সমস্যা মেটাতেই এই ক্যাম্পগুলি চালু করা হয়েছে। পৃথক চারটি ক্যাম্পে রবিবার অবধি প্রায় ২২১টি আবেদন জমা পড়েছে। তারমধ্যে প্রায় ১১৩টি নথি সংশোধনের কাজ শেষ হয়েছে। পরবর্তীতে এদিন তা নির্দিষ্ট জমির মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম, জেলাশাসক বিধান রায়, এসআরডিএ চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডল সহ জেলা পুলিস ও প্রশাসনের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, স্থানীয়দের সমস্যার সমাধান না হওয়া অবধি পৃথক চারটি ক্যাম্প চালু থাকবে। চাঁদা, সাগরবাঁদি, গামারবাথান, মথুরাপাহাড়ীর মতো অন্যান্য এলাকাতেও ক্যাম্প হবে। জেলাশাসক বলেন, সাধারণ মানুষ ইতিহাস তৈরি করেছেন। তাঁদের সমস্যার সমাধানে আগামীতেও এ ধরনের ক্যাম্প চলবে। এদিন নথি বিতরণের পর কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে জেলাশাসক প্রকল্প এলকায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। এদিকে সংশোধিত নথি হাতে পেয়ে হোপনা মুর্মু, মুন্নি টুডু ও দুর্গা কিস্কুরা উচ্ছ্বসিত। তাঁরা জেলা প্রশাসন ও রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। -নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ