Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মানভঞ্জন কৃষ্ণের, শর্তসাপেক্ষে ‘শান্তির বার্তা’ অরিন্দমেরও

বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী এবং রায়গঞ্জ পুর কর্তৃপক্ষের বিবাদ মেটাতে আসরে নামল উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব

মানভঞ্জন কৃষ্ণের, শর্তসাপেক্ষে ‘শান্তির বার্তা’ অরিন্দমেরও
  • ১০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী এবং রায়গঞ্জ পুর কর্তৃপক্ষের বিবাদ মেটাতে আসরে নামল উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে দু’পক্ষকে নিয়ে গত মঙ্গল ও বুধবার রাতে বৈঠক সেরেছে নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে খবর, দু’পক্ষকেই সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়, এমন কোনও কাজ করা যাবে না। তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের বক্তব্য, দু’পক্ষকে নিয়ে আলাদা বৈঠক করা হয়েছে। মুখোমুখি বসিয়েও বৈঠক করা হবে। সবাইকে একটাই বার্তা দেওয়া হয়েছে, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়, এমন কোনও কাজ করা যাবে না।

Advertisement

রায়গঞ্জ শহরে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল দীর্ঘদিনের। মাঝেমধ্যে এনিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। দুর্গাপুজোর কার্নিভালে এই কোন্দল চরমে ওঠে। বিধায়ক সামাজিক মাধ্যমে পুরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে কার্নিভাল বয়কট করেন। তারপর থেকে পুরসভা কর্তৃপক্ষও বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেয়। জেলা নেত্রী চৈতালী ঘোষ সাহাও সামাজিক মাধ্যমে নাম  না করে বিধায়ককে আক্রমণ করেছিলেন। জেলা সভাপতির কড়া বার্তার পর গত বুধবার কালিয়াগঞ্জে দু’পক্ষকেই বিজয়া সম্মিলনির মঞ্চে দেখা যায়। 
দলীয় সূত্রে খবর, মঙ্গল ও বুধবার রাতে জেলা নেতৃত্ব আলাদাভাবে দু’পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে। সেখানে জেলা সভাপতি সহ প্রবীণ নেতা তিলক চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহ সভাধিপতি পূর্ণেন্দু দে হাজির ছিলেন। দু’পক্ষের যুক্তি এবং ক্ষোভের কারণ শোনার পর আপাতত কোন্দল ভুলে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দেওয়া হয়। জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর বিধায়কের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, এখন সব ঠিক আছে। আর কোনও সমস্যা নেই। 
এবিষয়ে রায়গঞ্জের পুরপ্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, বুধবার রাতের পর থেকে বিধায়ক ইস্যুতে কোনও মন্তব্য করছি না। উপ পুরপ্রশাসক অরিন্দম সরকারও বিধায়কের বিরুদ্ধে আর কিছু বলবেন না বলে জানিয়েছেন। তবে তাঁর একটাই শর্ত, ‘বিধায়ক পুরসভার বিরুদ্ধে অযথা আলটপকা মন্তব্য না করলে, আমরাও কিছু বলব না।’
অরিন্দমের সাফ কথা, বিধায়ক হওয়ার জন্য আমরা কেউ লালায়িত নই। আমরা কেউ আগামীতে বিধানসভা ভোটের টিকিটের জন্য তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করিনি। আমাদের বিরোধিতা করতে করতে যখন বিধায়ক দলের বিরুদ্ধে যেতে শুরু করলেন, তখনই তাঁর ঔদ্ধত্যের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছি। নেতৃত্বকে জানিয়েছি, আমরা তাঁর বিরোধী নই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ