Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পোস্তার মশলাপাতির বাজারে হানা, ৫০ কেজি হলুদ-লঙ্কার গুঁড়ো নষ্ট করল কলকাতা পুরসভা

বড়বাজারের পোস্তা অঞ্চলে হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো, নুন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের মশলাপাতির পাইকারি বাজার রয়েছে। এই চত্বরের বিভিন্ন দোকানে মশলায় ভেজাল মেশানোর অভিযোগ ওঠায় মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে হানা দেয় কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের ফুড সেফটি টিম।

পোস্তার মশলাপাতির বাজারে হানা, ৫০ কেজি হলুদ-লঙ্কার গুঁড়ো নষ্ট করল কলকাতা পুরসভা
  • ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বড়বাজারের পোস্তা অঞ্চলে হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো, নুন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের মশলাপাতির পাইকারি বাজার রয়েছে। এই চত্বরের বিভিন্ন দোকানে মশলায় ভেজাল মেশানোর অভিযোগ ওঠায় মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে হানা দেয় কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের ফুড সেফটি টিম। অভিযানে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্তা থেকে ফুড সেফটি অফিসারদের কার্যত চক্ষু চড়কগাছ। ‘অন স্পট’ পরীক্ষা করে ভেজালের অস্তিত্ব মেলায় প্রায় ৪০ কেজি হলুদ গুঁড়ো এবং ১০ কেজি লঙ্কার গুঁড়ো তাঁরা ফেলে দেন। সেই সঙ্গে বিভিন্ন মশলার ১২ রকমের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে ল্যাবরেটরিতে। 

Advertisement

এদিন বড়বাজার ও পোস্তা মার্কেটের বিভিন্ন দোকান এবং গুদাম ঘুরে দেখে পুরসভার ফুড সেফটি টিম। দলের নেতৃত্ব দেন ফুড সেফটি শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত তরুণ সাঁফুই। পুরসভা সূত্রে খবর, ‘ফ্যাসাই’ থেকে এই চত্বরে অভিযান চালানোর নির্দেশ এসেছিল। স্বাস্থ্যভবনের তরফেও একটি নির্দেশিকা জারি হয়। অভিযানে গিয়েই হাতেনাতে ভেজাল ধরা পড়ে। সেখানেই  পরীক্ষা করে দেখা যায়, হলুদে মেশানো হয়েছে বিষাক্ত রঞ্জক, যা গুঁড়ো হলুদকে আরও হলদে করে তুলেছে। পুরসভার এক স্বাস্থ্যকর্তা বলেন, ‘যে রাসায়নিক মেশানো হয়েছে, তা অত্যন্ত ক্ষতিকারক। মানুষের শরীরে গেলে নানা ধরনের রোগের জন্ম দিতে পারে। তাই ওখানেই টেস্ট করে প্রায় ৪০ কেজি হলুদ গুঁড়ো নষ্ট করা হয়েছে। একই কারণে প্রায় ১০ কেজি লঙ্কার গুঁড়ো ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, ডালের বড়িতে রং মেশানো হয়েছে বলে ধরা পড়েছে এদিনের অভিযানে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন রঙিন পাপড়েও মেশানো হয়েছে বিষাক্ত রং। ‘অন স্পট’ টেস্টে সেগুলি ধরা পড়ায় হলুদ, লঙ্কার গুঁড়ো, ডালের বড়ি এবং রঙিন পাপড় সহ মোট ১২ রকমের নমুনা সংগ্রহ করেছে ফুড সেফটি টিম। কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, ‘অনস্পট’ ভেজাল ধরা পড়ায় আরও ভালোভাবে পরীক্ষার জন্য কিছু নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। আরও কিছু পাঠানো হবে। তারপর ফুড সেফটি আইনে সংশ্লিষ্ট দোকানদার বা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে জরিমানা সহ কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।’ উল্লেখ্য, এর আগে বড়বাজারের পোস্তায় দুধের পাইকারি বাজারে হানা দিয়েছিল পুরসভা। সেখানেও ভেজাল ধরা পড়েছিল। - নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ