


ধরমশালা: গতবারের চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু রয়েছে দুর্দান্ত ফর্মে। উলটোদিকে থাকা পাঞ্জাব কিংসের অবস্থা অবশ্য করুণ। টানা পাঁচ ম্যাচে হেরে ঘোর বিপাকে তারা। রবিবার শ্রেয়স আয়ারদের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে-অফের টিকিট পাকা হবে বিরাট কোহলিদের। ১২ ম্যাচে আরসিবি’র ঝুলিতে ১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, প্রথমার্ধে অপরাজেয় দেখানো পাঞ্জাবের সংগ্রহ ১২ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট। আর একটি হার মানেই তাদের প্লে-অফের আশা চুরমার হয়ে যাবে।
ধরমশালা স্টেডিয়ামে হওয়া দুটো ম্যাচেই হেরেছে পাঞ্জাব। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ২১০ আর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ২০০ তুলেও আসেনি জয়। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে পরাজয়ের পর হতাশা গোপন করতে পারেননি শ্রেয়স। মুশকিল হল, হাতে আর মাত্র দুটো ম্যাচ রয়েছে। বেঙ্গালুরুর পর লখনউয়ের বিরুদ্ধে খেলবেন শ্রেয়সরা। জিততে হবে দুটোতেই। কিন্তু দুই বিদেশি পেসার মার্কো জানসেন ও জেভিয়ার বার্টলেট যেভাবে রান দিচ্ছেন, তাতে কাজটা কঠিন। অবশ্য গত ম্যাচে আজমাতুল্লাহ ওমারজাইয়ের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে দলকে। দুই ওপেনার প্রিয়াংশ আর্য ও প্রভসিমরন সিং পাঞ্জাবের বড় শক্তি। তবে তাঁদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেন বেঙ্গালুরুর দুই অভিজ্ঞ পেসার ভুবনেশ্বর ও হ্যাজলউড। ক্রুণাল, সুয়াশ শর্মারা আছেন স্পিন বিভাগে।
আরসিবি’র ব্যাটিংয়ে প্রধান ভরসা বিরাট কোহলিই। কেকেআরের বিরুদ্ধে গত ম্যাচেই অপরাজিত সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। এছাড়াও দেবদূত পাদিক্কাল, টিম ডেভিড, রোমারিও শেফার্ডরা আছেন ঝড় তুলতে। ক্যাপ্টেন রজত পাটীদার বলেছেন, ‘বিভিন্ন সময়ে কেউ না কেউ ঠিক দায়িত্ব নিয়ে উতরে দিয়েছে আমাদের। এটা দারুণ লক্ষণ। তবে আমরা একটা করে ম্যাচ নিয়েই ভাবছি। বেশি দূরে তাকাচ্ছি না।’