লন্ডন: উইম্বলডনের ফাইনালে কার্লোস আলকারাজের সঙ্গে নোভাক জকোভিচের লড়াই দেখতে চান বিরাট কোহলি। তবে পুরুষদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তাঁর ভোট থাকছে জোকারের দিকেই। উইম্বলডনের সেন্টার কোর্টে বিজয় অমৃতরাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোহলি বলেন, ‘কেরিয়ারের এই পর্যায়ে আলকারাজকে হারিয়ে নোভাক খেতাব জিতলে তা দারুণ ব্যাপার হবে। তখন কে সর্বকালের সেরা, এই তর্কেরও নিষ্পত্তি ঘটবে। ওর দখলেই থাকবে সবচেয়ে বেশি ২৫টা গ্র্যান্ড স্ল্যাম। এটা জকোভিচের প্রাপ্যও।’ অভিনেত্রী স্ত্রী অনুষ্কা শর্মাকে নিয়ে জকোভিচের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার সাক্ষী থাকা বিরাট আরও বলেন, ‘নোভাকের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই যোগাযোগ রয়েছে। আমার মেসেজ আদান-প্রদান করি।’
ক্রিকেট ও লন টেনিস— দু’টি খেলার চাপের মধ্যে তুলনা টেনেছেন কোহলি। তাঁর মতে, ‘ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই স্নায়ুর লড়াই। এছাড়া বিশ্বকাপ সেমি-ফাইনাল এবং ফাইনালেও চাপ থাকে। ঠিক একই অবস্থা হয় টেনিসেও। কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে ফাইনাল পর্যন্ত প্রত্যেক খেলোয়াড়ই চাপ অনুভব করে। তাই ওদের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা। শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হলেই টেনিসে সাফল্য মেলে।’
উইম্বলডনের সেন্টার কোর্টে খেলা ও লর্ডসে ক্রিকেট খেলার মধ্যে পার্থক্য কী? কোহলির উত্তর, ‘ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রচুর মানুষ উপস্থিত থাকেন। মারাত্মক চাপও থাকে। তবে সেন্টার কোর্টে খেলার বাতাবরণই আলাদা। কারণ, দর্শকরা অনেক কাছে থাকেন খেলোয়াড়ের। ক্রিজে আমরা যখন ব্যাট করি, তখন অনুরাগীরা থাকেন বহু দূরে। ফলে নিজের ভাবনায় ডুবে থাকা যায়। দর্শকদের মন্তব্য, চিৎকার— কিছুই অত দূর থেকে কানে পৌঁছয় না। টেনিসে কিন্তু সব কিছুই শুনতে হয় খেলোয়াড়কে। আর ক্রিকেট একবলের খেলা। একটা ভুল মানেই আউট। তখন সারাদিন অন্যের জন্য হাততালি দেওয়া ছাড়া কিছু করার থাকে না। টেনিসে কিন্তু দু’সেটে পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তন সম্ভব।’