নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বাজেটে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্তর কর সুরাহার দাবিতে সরব হল বিরোধীরা। রাত পোহালেই আগামী কাল শনিবার সংসদে বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তাঁর বক্তৃতায় যাতে মধ্যবিত্তের কর ছাড় বাড়ানোর কথা থাকে, তেমনটাই সরকারের কাছে দাবি জানাল তৃণমূল। সমর্থন করল অন্য অবিজেপি দলগুলিও। বৃহস্পতিবার সরকারের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকেই এই দাবি করেছেন তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভায় দলের নেতা ডেরেক ও’ব্রায়ান।
Advertisement
স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার ওপর ১৮ শতাংশ জিএসটি বাতিল করার কথা বাজেটে ঘোষণা করতে হবে বলেও দাবি জানান তাঁরা। একইসঙ্গে তৃণমূল সহ অবিজেপি দলগুলির দাবি, সংসদে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা চলবে না। তাঁরা বলেছেন, সংসদে সরকারের কাজ যেমন বিল আনা, তেমনই বিরোধীদের কাজ প্রশ্ন করা। জবাব চাওয়া। অথচ সরকার জবাব এড়ায়। তাদের বলতে দেওয়া হয় না বলেই অভিযোগের পারদ চড়াল বিরোধীরা। সংসদের পরম্পরা নষ্ট হচ্ছে বলেও সরব হয়েছেন তৃণমূল, কংগ্রেস, ডিএমকে, আরজেডি, সমাজবাদী পার্টি, আপ, সিপিআই, এনসিপি-এসপির মতো বিরোধী দলের সাংসদরা।
সরকারের পক্ষে এদিন সর্বদলীয় বৈঠক উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিং, জে পি নাড্ডা, কিরেণ রিজিজু, অর্জুনরাম মেঘওয়াল। তাঁরা এ ব্যাপারে কোনও আশ্বাসই দিতে পারেননি। চুপ করে শুনেছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, স্রেফ কট্টর বিজেপি বিরোধীই নয়। মুখ খুলেছে মোদি সরকারের শরিক জেডিইউ, টিডিপি, এলজেপি-আরভি। সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলে দাবি করেছে, সংসদে তাদের আরও বেশি সময় বলতে দিতে হবে। লোকসভায় বসার আসন ব্যবস্থাও বদলাতে হবে। সরকারের শরিক ঠিকই। তবে ট্রেজারি বেঞ্চে আলাদা ব্লক করেই তাঁদের বসার ব্যবস্থা করতে হবে।
এদিন বৈঠকে জেডিইউয়ের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় ঝা ‘এক দেশ এক নির্বাচন বিল’ সংক্রান্ত সংসদীয় যৌথ কমিটির রিপোর্ট পেশে তাড়াহুড়ো করা চলবে না বলেও সতর্ক করেছেন। সরকারকে কোণঠাসা করে শারদ পাওয়ারের এনসিপি সাংসদ ফৌজিয়া খান বলেন, সংসদে বিক্ষোভ দেখায় বিরোধীরা। কিন্তু শীতকালীন অধিবেশনে সরকারপক্ষই কেন বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল? যা শুনে মুখে কোনও কথা সরেনি রাজনাথ, নাড্ডাদের।
বৈঠকে তৃণমূল স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর ওপর অহেতুক হস্তক্ষেপ করা চলবে না। বেকারত্ব, লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতে সংসদে আলোচনা করতে হবে। বাংলাদেশ ইস্যুতে সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে বিবৃতি দিতে হবে। বকেয়া হোক বা অনুদান, বাংলার মতো বিজেপি বিরোধী রাজ্যকে কেনই বা বঞ্চনার শিকার হতে হবে? সর্বদলীয় বৈঠকে সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল।
সরকারের পক্ষে এদিন সর্বদলীয় বৈঠক উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিং, জে পি নাড্ডা, কিরেণ রিজিজু, অর্জুনরাম মেঘওয়াল। তাঁরা এ ব্যাপারে কোনও আশ্বাসই দিতে পারেননি। চুপ করে শুনেছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, স্রেফ কট্টর বিজেপি বিরোধীই নয়। মুখ খুলেছে মোদি সরকারের শরিক জেডিইউ, টিডিপি, এলজেপি-আরভি। সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলে দাবি করেছে, সংসদে তাদের আরও বেশি সময় বলতে দিতে হবে। লোকসভায় বসার আসন ব্যবস্থাও বদলাতে হবে। সরকারের শরিক ঠিকই। তবে ট্রেজারি বেঞ্চে আলাদা ব্লক করেই তাঁদের বসার ব্যবস্থা করতে হবে।
এদিন বৈঠকে জেডিইউয়ের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় ঝা ‘এক দেশ এক নির্বাচন বিল’ সংক্রান্ত সংসদীয় যৌথ কমিটির রিপোর্ট পেশে তাড়াহুড়ো করা চলবে না বলেও সতর্ক করেছেন। সরকারকে কোণঠাসা করে শারদ পাওয়ারের এনসিপি সাংসদ ফৌজিয়া খান বলেন, সংসদে বিক্ষোভ দেখায় বিরোধীরা। কিন্তু শীতকালীন অধিবেশনে সরকারপক্ষই কেন বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল? যা শুনে মুখে কোনও কথা সরেনি রাজনাথ, নাড্ডাদের।
বৈঠকে তৃণমূল স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর ওপর অহেতুক হস্তক্ষেপ করা চলবে না। বেকারত্ব, লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতে সংসদে আলোচনা করতে হবে। বাংলাদেশ ইস্যুতে সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে বিবৃতি দিতে হবে। বকেয়া হোক বা অনুদান, বাংলার মতো বিজেপি বিরোধী রাজ্যকে কেনই বা বঞ্চনার শিকার হতে হবে? সর্বদলীয় বৈঠকে সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল।



