


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ২৯ রানে জয় জুগিয়েছে অক্সিজেন। প্লে-অফের আশা জিইয়ে রাখতে বাকি দুটো ম্যাচেও জেতা জরুরি। কলকাতা নাইট রাইডার্সের পরের ম্যাচ বুধবার। প্রতিপক্ষ রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরাহদের মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। সোমবার তার প্রস্তুতি শুরু করবেন অজিঙ্কা রাহানেরা। রবিবারটা কাটল ছুটির আমেজেই।
ফুরফুরে আবহের মধ্যে অবশ্য থাকছে তিরতিরে আশঙ্কা। বরুণ চক্রবর্তী যেভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বল করেছেন শনিবার, তাতে বিভিন্ন মহলে উঠছে প্রশ্ন। মিস্ট্রি স্পিনারের চোট না সারা সত্ত্বেও জিততে মরিয়া কলকাতা কি জোর করেই নামিয়েছিল তাঁকে? বিশেষ করে বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রয়েছেন বরুণ। তার উপর তাঁর ‘হেয়ারলাইন ফ্র্যাকচার’ হয়েছিল বাঁ-পায়ে। বরুণের চোট নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে নাইট কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করেছিল কিনা তা নিয়েও রয়েছে বিতর্ক। উল্লেখ্য, জুনে ডাবলিন এবং ইংল্যান্ডে মোট সাতটা টি-২০ ম্যাচ খেলতে যাবে বিশ্বজয়ী ভারত। টি-২০ স্পেশালিষ্ট বরুণ তার আগে সম্পূর্ণ ফিট হয়ে উঠবেন কিনা, সংশয় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। কিন্তু নাইটদের এখন শিরে সংক্রান্তি দশা। তাই তাঁকে খেলিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, স্বয়ং বরুণই বা কেন আপত্তি জানাননি? সবমিলিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে তাঁর খেলার সম্ভাবনা কম। ধোঁয়াশা রয়েছে মাথিশা পাথিরানাকে নিয়েও। প্রথমবার খেলতে নেমে রবিবার আট বলের পরই তিনি ডাগ আউটে ফিরে আসতে বাধ্য হন।
বরুণ-পাথিরানাকে নিয়ে সংশয়ের বাতাবরণেই খানিকটা স্বস্তি এনেছেন ফিন অ্যালেন। মাথার উপর থেকে পাহাড়প্রমাণ চাপ কাটিয়ে গুজরাতের বিরুদ্ধে ৯৩ রানের ইনিংস উপহার দেন তিনি। অঙ্গকৃশ রঘুবংশীর ধারাবাহিকতাও আনছে স্বস্তি। বোলিংয়ে সুনীল নারিনকে বরাবরের মতোই তীক্ষ্ণ দেখাচ্ছে। বাঁ-হাতি পেসার সৌরভ দুবেও চাপের মুখে নার্ভ বজায় রেখেছেন। শনিবার আইপিএলে প্রথম উইকেট পান তিনি। যাঁকে ফিরিয়েছিলেন, সেই জস বাটলার ম্যাচের পর জার্সি উপহার দেন তাঁকে। এই ইতিবাচক দিকগুলো নিয়েই মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে হোমওয়ার্ক শুরু নাইটদের।