


ধরমশালা: খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে প্রথম ধাপ টপকাল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। রবিবার শৈলশহর ধরমশালায় পাঞ্জাব কিংসকে ২৩ রানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে প্লে-অফে জায়গা করে নিলেন বিরাট কোহলিরা। অন্যদিকে, টানা হারের ডাবল হ্যাটট্রিকে প্রবল চাপে শ্রেয়স আয়ারের দল। আরসিবি ১৩টি খেলে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। সমসংখ্যক ম্যাচে পাঞ্জাবের ঝুলিতে ১৩ পয়েন্ট। উল্লেখ্য, প্রীতি জিন্টার দলের পরাজয়ে কিছুটা হলেও অক্সিজেন পেল শাহরুখ খানের নাইট রাইডার্স।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আরসিবি ৪ উইকেটে তোলে ২২২ রান। গতবারের চ্যাম্পিয়নদের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। ১১ রানে ডাগ-আউটে ফেরেন বেথেল। ধাক্কা সামলে দলকে টানেন বিরাট কোহলি ও দেবদূত পাদিক্কাল। দ্বিতীয় উইকেটে তাঁরা যোগ করেন ৭৬ রান। চলতি আইপিএলে দুরন্ত ফর্মে ভিকে। ৫৪২ রান করে কমলা টুপি দখলের লড়াইয়ে রয়েছেন প্রবলভাবে। এদিনও হাফ-সেঞ্চুরি হাঁকালেন বিরাট। লেগেছে ৩১ বল। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৮ রানে আউট হন। পাদিক্কালের সংগ্রহ ৪৭। তবে সবাইকে ছাপিয়ে বেঙ্কটেশ আয়ারের ঝোড়ো অপরাজিত ৭৩ রানই বড়ো ফারাক গড়ে দেয়। তাঁর ৪০ বলের ইনিংসে রয়েছে ৮টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কা। ১২ বলে ২৮ করেন টিম ডেভিড।
জবাবে ৮ উইকেটে ১৯৯ রানে থামে পাঞ্জাব। ইনিংসের শুরুতে মাত্র ১৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে পড়ে যায় তারা। একে একে ফেরেন প্রিয়াংশ আর্য (০), প্রভসিমরন সিং (২) ও ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আয়ার (১)। তখনই বোঝা গিয়েছিল আরসিবি’র রানের পাহাড় টপকানো সহজ হবে না পাঞ্জাবের। তবে শশাঙ্ক সিং (৫৬) ও মার্কাস স্টোইনিস (৩৭) পালটা প্রত্যাঘাতে জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। বেঙ্গালুরুর হয়ে রাশিখ সালাম ৩টি ও ভুবনেশ্বর কুমার ২টি উইকেট নেন।