Bartaman Logo
৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

নিয়মরক্ষার ম্যাচে দিল্লির কাছে হেরে অভিযান শেষ নাইটদের

শুরুতে আশা-নিরাশার দোলাচলে প্লে-অফ স্বপ্নের ওঠা-নামা। শেষটা হল স্বপ্নভঙ্গের ক্ষতে শোচনীয় পরাজয়ের লঙ্কা ঘষে দেওয়ার মতো মর্মান্তিক। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ৪০ রানে পরাজয় হয়ে উঠল প্রতীকী। ১৩ পয়েন্টে থেমে যাওয়া নাইটদের সত্যিই প্রথম চারে জায়গা পাওয়া উচিত নয়!

নিয়মরক্ষার ম্যাচে দিল্লির কাছে হেরে অভিযান শেষ নাইটদের
  • ২৫ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌরাংশু দেবনাথ, কলকাতা: শুরুতে আশা-নিরাশার দোলাচলে প্লে-অফ স্বপ্নের ওঠা-নামা। শেষটা হল স্বপ্নভঙ্গের ক্ষতে শোচনীয় পরাজয়ের লঙ্কা ঘষে দেওয়ার মতো মর্মান্তিক। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ৪০ রানে পরাজয় হয়ে উঠল প্রতীকী। ১৩ পয়েন্টে থেমে যাওয়া নাইটদের সত্যিই প্রথম চারে জায়গা পাওয়া উচিত নয়!

Advertisement

অথচ, টসের সময়ও আরব সাগরের পাড়ে সূর্যকুমার-হার্দিকের ব্যাটে জ্বলছিল আশার আলো। প্রেসবক্সে চলছিল চর্চা। দিল্লি ১৮০ তুললে কলকাতাকে জিততে হবে ১২ থেকে ১২.৪ ওভারের মধ্যে। আর টার্গেট ২০০ হলে ১২.১ থেকে ১২.৪ ওভার। ওয়াংখেড়েতে সূর্য ফিরতেই গঙ্গাপাড়ে যাবতীয় আশার সূর্যাস্ত। যন্ত্রণার গ্রাসে রবিবারের ম্যাচ নিমেষে পরিণত নিয়মরক্ষায়। খেলা গড়াতে না গড়াতেই যে বেজেছে বিদায়ঘণ্টা!
২০০ স্ট্রাইকরেটে ৩০ বলে ৬০, লোকেশ রাহুলই গড়ে দেন দিল্লির বড় ইনিংসের ভিত। মারেন পাঁচটা চার ও চারটি ছক্কা। তারমধ্যে একটা ছক্কা গিয়ে লাগে ডাগ আউটের পিছনে রাখা বিজ্ঞাপনী গাড়িতে। ২৫ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর যদিও অনুকূল রায়ের মন্থর ডেলিভারিতে ক্যাচ তোলেন কেএল। জীবনদানের সুযোগ নিতে ব্যর্থ অভিষেক পোড়েল (২২)। তিনে নামা সাহিল পারখ (২৪) বোকা বনেন নারিনের কাছে। দিল্লি শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে তোলে ২০৩। ক্যাপ্টেন অক্ষর প্যাটেল (৩৯), ডেভিড মিলার (২৮), আশুতোষ শর্মা (অপরাজিত ১৮) টানেন ইনিংসকে। 
নাইটদের শুরুটা খারাপ হয়নি। ওপেনিংয়ে ওঠে ৪৩।  লুঙ্গি এনগিডির বলে ফিন অ্যালেন (২০) ফেরার পর দলকে টানেন ক্যাপ্টেন অজিঙ্কা রাহানে। মরশুমে প্রথম ম্যাচের পর এদিনই তাঁর ব্যাটে আসে হাফ-সেঞ্চুরি। ৩৯ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৪টি ছক্কা। কুলদীপ যাদবকে মারতে গিয়ে তিনি ফিরতেই পতনের সূত্রপাত। পরের বলেই চায়নাম্যানের শিকার রিঙ্কু সিং (০)। তার আগে রভম্যান পাওয়েল (২৯), মণীশ পাণ্ডেরা (২৫) উইকেট উপহার দিয়ে ফিরেছিলেন। কুলদীপের (৩-২৯) জোড়া ধাক্কার পর নাইটদের ইনিংসে শুধুই যাওয়া-আসার পালা। দাঁড়ি পড়ল ১৬৩ রানে।
মাঝরাতে বাড়ি ফেরার পথে সমর্থকদের সঙ্গী টুকরো টুকরো আপশোস। আরসিবি ম্যাচে বিরাট কোহলির ক্যাচটা যদি না পড়ত! লখনউয়ের মুকুলের তাণ্ডবে হাতের মুঠো থেকে জয় ফস্কানোটাও তো কম বড় ধাক্কা নয়। প্রথম ৬ ম্যাচের একটিও জিততে না পারাও বিঁধল কাঁটার মতো। অবশ্য প্রথম ছয় ম্যাচের ৫টিতে জেতা পাঞ্জাবও যে একই স্বপ্নভঙ্গের শরিক!

সম্পর্কিত সংবাদ