Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

কানাডার পর এবার গ্রিনল্যান্ড ও পানামা খাল নিয়ে হুমকি ট্রাম্পের

কানাডার পর এবার গ্রিনল্যান্ড ও পানামা খাল নিয়ে হুমকি ট্রাম্পের
  • ৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
ওয়াশিংটন: মার্কিন প্রেসিডেন্টের মসনদে বসতে আর মাত্র দিনকয়েক  বাকি। তার আগেই কার্যত শক্তি প্রদর্শন শুরু করে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কানাডার পর এবার গ্রিনল্যান্ড ও পানামা খাল নিয়েও দিলেন চরম হুঁশিয়ারি। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এই দুই এলাকা দখলের ক্ষেত্রে সেনা ব্যবহারেও পিছপা হবে না আমেরিকা। অর্থাৎ, কথা না শুনলে পরিণতি ভোগ করতে হবে। একইসঙ্গে প্যালেস্তাইনের জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসকেও কড়া বার্তা দিয়েছেন রিপাবলিকান নেতা—‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে মার্কিন পণবন্দিরা ফিরে না এলে পশ্চিম এশিয়ায় ধ্বংসলীলা চলবে। তা শুধু হামাস নয়, কারুর জন্যই ভালো হবে না। আশা করি এবিষয় আর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন পড়বে না।’ আগামী ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে হোয়াইট হাউসের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন ট্রাম্প। তার আগেই শেষ হচ্ছে হামাসের জন্য দেওয়া এই চরম সময়সীমা।
Advertisement
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মাঝখান দিয়ে প্রশান্ত এবং অতলান্তিক মহাসাগরকে যুক্ত করে পানামা খাল। এটি সমুদ্রপথে বিশ্বের পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ১৯৯৯ সালের বিশেষ চুক্তি অনুযায়ী এই খাল পরিচালনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব পানামা প্রশাসনের। সম্প্রতি এই খালে চীনের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ ট্রাম্পের। তাই পানামা খাল ফের দখলে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার মার-এ-লাগো এস্টেটে সাংবাদিক সম্মেলনে হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এখনই এবিষয় কিছু বলতে পারছি না। তবে আমেরিকার আর্থিক সুরক্ষার জন্য পানামা ও গ্রিনল্যান্ড গুরুত্বপূর্ণ।’ 
দীর্ঘদিন ধরেই গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে আনার ইচ্ছাপ্রকাশ করে আসছেন ট্রাম্প। প্রথমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি এই মেরু অঞ্চলটিকে কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। জবাবে ডেনমার্ক প্রশাসন সাফ জানায়, এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটি তাদের রাষ্ট্রের অংশ। তা বিক্রির জন্য নয়। এবার দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার আগেই ট্রাম্প ফের গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনার কথা জানালেন। বললেন, প্রয়োজনে অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়ে ডেনমার্ককে বাধ্য করবে আমেরিকা। তাঁর কথায়, ‘গ্রিনল্যান্ডের উপর ডেনমার্কের কোনও আইনি অধিকার আছে কি না সেটা কেউ জানে না। জানা থাকলে অঞ্চলটিকে নিশ্চয়ই আমেরিকার হাতে তুলে দেওয়া হতো। তাহলেই একমাত্র জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে।’
সম্পর্কিত সংবাদ