Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

কেন্দ্রীয় বাজেট বাংলা বিরোধী, সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বললেন অভিষেক

কেন্দ্রীয় বাজেট বাংলা বিরোধী, সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বললেন অভিষেক
  • ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নয়াদিল্লি, ৭ ফেব্রুয়ারি: ১০০ দিনের কাজের ও আবাস প্রকল্পের টাকা আটকে বাংলাকে ভাতে মারতে চেয়েছিল কেন্দ্র। এমনই অভিযোগ বারবার করেছে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব। এই বকেয়া টাকা আদায়ের জন্য কখনও দিল্লির দরবারে আবার কখনও পথে নেমে আন্দোলন করতেও দেখা গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। কিন্তু কোনওভাবেই রাজ্যকে ১০০ দিনের কাজের ও আবাস প্রকল্পের প্রাপ্য টাকা দেয়নি কেন্দ্রের মোদি সরকার। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্ধান্ত নেন বাংলার মানুষের প্রাপ্য বকেয়া টাকা মেটাবে রাজ্য সরকারই। সেই মতো ১০০ দিনের ও আবাস প্রকল্পের টাকা উপভোক্তাদের মিটিয়েছে রাজ্য।
Advertisement
কেন্দ্রের এই বঞ্চনার মাঝেই আরও বড় ক্ষত সৃষ্টি করেছে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেট। কারণ এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার জন্য কিছুই দেয়নি মোদি সরকার। বিহারের জন্য একগুচ্ছ প্রকল্প ও আর্থিক সাহায্য বরাদ্দ করলেও এবারেও বাংলার ঝুলি শূন্যই রয়ে গিয়েছে। এমনকী নেই কোনও নতুন রেল প্রকল্পও। মেট্রোর প্রজেক্টগুলিতেও বাড়ানো হয়নি বরাদ্দ। তাই এবারের কেন্দ্রীয় বাজেট বাংলা বিরোধী বলে আজ, শুক্রবার সংসদে তোপ দেগেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন বাজেটের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বলেন, ‘রামায়ণে যেভাবে মারীচ হরিণের ছদ্মবেশ ধারণ করে সীতাকে ঠকিয়েছিলেন। এই সরকার অর্থনৈতিক বিপর্যয়কে লুকিয়ে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে সেইভাবেই ঠকাচ্ছে।’ পশ্চিমবঙ্গের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অভিষেক বলেন, ‘বিহারে বিজেপির ১২ জন সাংসদ রয়েছেন। বাংলাতেও বিজেপির ১২ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু বিহারে বিজেপি শাসক শিবিরে তাই বিহার বোনাস পাচ্ছে। আর বাংলায় যেহেতু বিজেপি বিরোধী আসনে তাই অর্থনৈতিক বঞ্চনা ছাড়া আর কিছুই পাচ্ছে না।’ এটাকে ‘হাফ ফেডারেলিজম’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি আরও বলেন, ‘বাংলার জন্য উল্লেখযোগ্য একটিও আর্থিক প্যাকেজ বা বড় প্রকল্প ঘোষণা করা হয়নি। উল্টে বাংলার বিভিন্ন প্রকল্পে কেন্দ্রের কাছ থেকে ১.৭ লক্ষ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। সেই বকেয়াও মেটানো হচ্ছে না। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আর্থিক অবরোধ। সুপরিকল্পিতভাবে বাংলার উন্নয়ন এবং আর্থিক বৃদ্ধি রুখে দেওয়া হচ্ছে।’
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ