অটোয়া, ৯ নভেম্বর: ভারত-কানাডা কূটনৈতিক সংঘাতের আবহেই কানাডায় খালিস্তানপন্থীদের উপস্থিতি মেনে নিলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। কানাডায় বসবাসকারী ভারতীয়দের জন্য কানাডার রাজধানী অটোয়ার পার্লামেন্ট হিলে দীপাবলির একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়েই তিনি কানাডায় খালিস্তানপন্থীদের উপস্থিতি স্বীকার করে নিয়েছেন। পাশাপাশি, তিনি খোঁচা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও।
Advertisement
ট্রুডো বলেন, “কানাডায় খালিস্তানপন্থীদের অনেক সমর্থক রয়েছেন, কিন্তু তাঁরা সামগ্রিকভাবে শিখ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করেন না।” এরপরই তিনি খোঁচা দিয়েছেন মোদিকে। ট্রুডো বলেন, “কানাডায় মোদির অনেক হিন্দু সমর্থকেরা রয়েছেন, কিন্তু সব হিন্দুরা মোদিকে সমর্থন করেন না।”
উল্লেখ্য, কানাডায় খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরকে খুনের পর থেকেই ভারত এবং কানাডার মধ্যে কূটনৈতিক সংঘাতের সূচনা। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারেতে একটি গুরুদ্বারের সামনে হরদীপকে গুলি করে খুন করা হয়। এই ঘটনার পরই ট্রুডো সরাসরি ভারতের দিকে আঙুল তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার নেপথ্যে ভারত সরকারের হাত থাকতে পারে। যদিও ভারত এই অভিযোগকে খণ্ডন করে ট্রুডোর মন্তব্যের সমালোচনা করে।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার কানাডার একটি হিন্দু মন্দিরে ভক্তদের উপর আক্রমণের অভিযোগ ওঠে খালিস্তানপন্থী জনতার বিরুদ্ধে। কানাডার ব্রম্পটন শহরের হিন্দু সভা মন্দিরে এই আক্রমণের ঘটনাটি ঘটে। ওই ঘটনার একটি ভিডিও (ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি বর্তমান) সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে দেখে যায়, মন্দির চত্বরে খালিস্তানপন্থী জনতা হাতে খালিস্তানি পতাকা এবং লাঠি নিয়ে ভক্তদের উপরে চড়াও হয়। শারীরিকভাবে হেনস্তাও করা হয় তাঁদের।
ট্রুডো এই হামলার ঘটনার কড়া নিন্দা করেন। তিনি তাঁর এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে লেখেন, “ব্রম্পটনের হিন্দু সভা মন্দিরে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। কানাডার প্রত্যেক জনগণের স্বাধীনভাবে তাঁদের নিজ নিজ ধর্মপালনের অধিকার রয়েছে।”
অন্যদিকে, কানাডায় বসবাসকারী ভারতীয়দের সুবিধা-অসুবিধা জানানোর জন্য ওই মন্দিরের বাইরেই একটি শিবির খোলা হয়েছিল। সেই শিবিরেও হামলা চালায় খালিস্তানপন্থী উন্মত্ত জনতা। কানাডার ভারতীয় হাই কমিশনও গোটা ঘটনার নিন্দা করে।
উল্লেখ্য, কানাডায় খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরকে খুনের পর থেকেই ভারত এবং কানাডার মধ্যে কূটনৈতিক সংঘাতের সূচনা। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারেতে একটি গুরুদ্বারের সামনে হরদীপকে গুলি করে খুন করা হয়। এই ঘটনার পরই ট্রুডো সরাসরি ভারতের দিকে আঙুল তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার নেপথ্যে ভারত সরকারের হাত থাকতে পারে। যদিও ভারত এই অভিযোগকে খণ্ডন করে ট্রুডোর মন্তব্যের সমালোচনা করে।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার কানাডার একটি হিন্দু মন্দিরে ভক্তদের উপর আক্রমণের অভিযোগ ওঠে খালিস্তানপন্থী জনতার বিরুদ্ধে। কানাডার ব্রম্পটন শহরের হিন্দু সভা মন্দিরে এই আক্রমণের ঘটনাটি ঘটে। ওই ঘটনার একটি ভিডিও (ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি বর্তমান) সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে দেখে যায়, মন্দির চত্বরে খালিস্তানপন্থী জনতা হাতে খালিস্তানি পতাকা এবং লাঠি নিয়ে ভক্তদের উপরে চড়াও হয়। শারীরিকভাবে হেনস্তাও করা হয় তাঁদের।
ট্রুডো এই হামলার ঘটনার কড়া নিন্দা করেন। তিনি তাঁর এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে লেখেন, “ব্রম্পটনের হিন্দু সভা মন্দিরে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। কানাডার প্রত্যেক জনগণের স্বাধীনভাবে তাঁদের নিজ নিজ ধর্মপালনের অধিকার রয়েছে।”
অন্যদিকে, কানাডায় বসবাসকারী ভারতীয়দের সুবিধা-অসুবিধা জানানোর জন্য ওই মন্দিরের বাইরেই একটি শিবির খোলা হয়েছিল। সেই শিবিরেও হামলা চালায় খালিস্তানপন্থী উন্মত্ত জনতা। কানাডার ভারতীয় হাই কমিশনও গোটা ঘটনার নিন্দা করে।



