ওটাওয়া: ভারতের চাপে অবশেষে খালিস্তানিদের বিরুদ্ধে তৎপর কানাডা সরকার? কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দু’ই শীর্ষস্তরের খালিস্তানি জঙ্গি নেতার গ্রেপ্তারির খবরে তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে। সম্প্রতি ব্রম্পটনের হিন্দু মন্দিরে পুণ্যার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ইন্দ্রজিৎ গোসাল নামে এক খালিস্তানি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। সেইসঙ্গে গত ২৭-২৮ অক্টোবর কানাডার মিল্টনে শ্যুটআউটের মামলায় অর্শদীপ দাল্লা (২৮) নামে আর এক খালিস্তানি নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত দু’জনই নিহত খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরের ‘চ্যালা’ বলে পরিচিত।
Advertisement
হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনায় ধৃত ৩৫ বছরের ইন্দ্রজিৎ ব্রম্পটনের বাসিন্দা। তিনি কট্টরপন্থী খালিস্তানি সংগঠন শিখস ফর জাস্টিস (এসজেএফ)-এর কানাডা শাখার কোঅর্ডিনেটর বলে জানা গিয়েছে। এই জঙ্গি সংগঠন ভারতে নিষিদ্ধ। অন্যদিকে, মিল্টনে শ্যুটআউটে দুজনের জখম হওয়ার ঘটনায় ডাল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন, নাকি ছাড়া পেয়েছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। জাস্টিন ট্রুডো সরকারের তরফেও এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। ডাল্লার বিরুদ্ধে ভারতে লুক আউট নোটিস জারি আছে।
ধৃত ইন্দ্রজিৎ সম্পর্কে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, গত বছরের জুনে আততায়ীদের হাতে নিজ্জর খুন হওয়ার পরে কানাডায় খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠন পরিচালনার ভার পড়ে তাঁর উপরে। সম্প্রতি ‘স্বাধীন খালিস্তান’-এর দাবিতে কানাডায় যে ‘গণভোট’ হয়েছিল তার মূল আয়োজক ছিলেন এই যুবক।। চলতি মাসে ব্রম্পটনের মন্দিরের বাইরে হামলার ঘটনায় মূল পান্ডা ছিলেন তিনি।
পিল রিজিওনাল পুলিস বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘গত ৮ নভেম্বর ইন্দ্রজিৎকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ রয়েছে। যদিও পরে শর্তসাপেক্ষে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে।’
গত ৩ নভেম্বর হিন্দু মন্দিরে বিক্ষোভের নামে হামলা চালায় খালিস্তানপন্থীরা। খালিস্তানি পতাকা ও লাঠি নিয়ে ভক্তদের উপরে চড়াও হয় তারা। সেদিন কানাডায় বসবাসকারী ভারতীয়দের সহযোগিতার জন্য মন্দিরের বাইরে একটি শিবির খোলা হয়েছিল। ভারতীয় হাই কমিশনের সেই শিবিরেও হামলা হয়। এই ঘটনায় আগে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
ধৃত ইন্দ্রজিৎ সম্পর্কে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, গত বছরের জুনে আততায়ীদের হাতে নিজ্জর খুন হওয়ার পরে কানাডায় খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠন পরিচালনার ভার পড়ে তাঁর উপরে। সম্প্রতি ‘স্বাধীন খালিস্তান’-এর দাবিতে কানাডায় যে ‘গণভোট’ হয়েছিল তার মূল আয়োজক ছিলেন এই যুবক।। চলতি মাসে ব্রম্পটনের মন্দিরের বাইরে হামলার ঘটনায় মূল পান্ডা ছিলেন তিনি।
পিল রিজিওনাল পুলিস বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘গত ৮ নভেম্বর ইন্দ্রজিৎকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ রয়েছে। যদিও পরে শর্তসাপেক্ষে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে।’
গত ৩ নভেম্বর হিন্দু মন্দিরে বিক্ষোভের নামে হামলা চালায় খালিস্তানপন্থীরা। খালিস্তানি পতাকা ও লাঠি নিয়ে ভক্তদের উপরে চড়াও হয় তারা। সেদিন কানাডায় বসবাসকারী ভারতীয়দের সহযোগিতার জন্য মন্দিরের বাইরে একটি শিবির খোলা হয়েছিল। ভারতীয় হাই কমিশনের সেই শিবিরেও হামলা হয়। এই ঘটনায় আগে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।



