ব্রিসবেন: পারথে ১৫০। অ্যাডিলেডে ১৮০। বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির দুই টেস্টেই প্রথম ইনিংসে দুশোর গণ্ডি টপকাতে পারেনি ভারত। গাব্বায় সেই ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে মরিয়া রোহিত শর্মার দল। শুভমান গিলের কথায় তারই ইঙ্গিত, ‘আমরা প্রথম ইনিংসে বড় রান তুলতে চাইছি। তার জন্য প্রত্যেক ব্যাটারের নিজস্ব গেমপ্ল্যান রয়েছে। তাছাড়া আমরা দিনের বেলায় লাল বলে টেস্ট খেলেই অভ্যস্ত। ফলে লক্ষ্যপূরণ অসম্ভব নয়।’ বক্তব্য পরিষ্কার, পিঙ্ক বল টেস্টের হতাশা ঝেড়ে ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তুত ভারতীয় শিবির। কিন্তু হালফিল টেস্টে অন্তত ছ’বার দেড়শোর কম রানে আটকে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। ফলে ব্রিসবেনের গতি-বাউন্সে ভরা পিচে কঠিন পরীক্ষাই অপেক্ষা করছে ভারতের জন্য।
Advertisement
পারথে আঙুলের চোটের জন্য খেলেননি গিল। অ্যাডিলেডে গোলাপি বলের টেস্টে ৩১ ও ২৮ করেন তিনি। ২৫ বছর বয়সির কথায়, ‘ব্যাটার হিসেবে আক্রমণাত্মক থাকার স্বাধীনতা আমার রয়েছে। স্কোরবোর্ডের অবস্থা ও অন্যপ্রান্তের পরিস্থিতি অগ্রাহ্য করে নিজের মেজাজে খেলে যাওয়া অবশ্য বড় চ্যালেঞ্জ। প্রথম ইনিংসে আমি উল্টোদিকে ক্রমাগত আউট হওয়া দেখে মনোসংযোগ হারিয়ে ফেলেছিলাম। একটা সময় চার ওভারে মাত্র একটি বল খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম। তারপরই ফুল লেংথ ডেলিভারি মিস করে আউট হই।’ গাব্বায় গিলের স্মৃতি মধুর। ২০২১ সালে এখানে তিনি করেন ৯১। সেই টেস্ট জিতে সিরিজ দখল করে ভারত।
অজি ক্যাপ্টেন প্যাট কামিন্স আবার শর্টপিচ ডেলিভারির ভয় দেখাতে চাইছেন। তবে গিল পাত্তাই দিচ্ছেন না। তাঁর কথায়, ‘ওদের বোলারদের বিরুদ্ধে গত পাঁচ-ছয় বছর ধরেই খেলছি। শর্টপিচ বোলিংয়ে ওরা এই সিরিজে কী সাফল্য পেয়েছে তা জানা নেই। বড়জোর একজন টেল এন্ডার আর লোয়ার মিডল অর্ডারের একজনকেই তো আউট করেছে ওভাবে! তাই প্রতিপক্ষ যে কৌশলই নিক না কেন আমরা প্রস্তুত।’
অজি ক্যাপ্টেন প্যাট কামিন্স আবার শর্টপিচ ডেলিভারির ভয় দেখাতে চাইছেন। তবে গিল পাত্তাই দিচ্ছেন না। তাঁর কথায়, ‘ওদের বোলারদের বিরুদ্ধে গত পাঁচ-ছয় বছর ধরেই খেলছি। শর্টপিচ বোলিংয়ে ওরা এই সিরিজে কী সাফল্য পেয়েছে তা জানা নেই। বড়জোর একজন টেল এন্ডার আর লোয়ার মিডল অর্ডারের একজনকেই তো আউট করেছে ওভাবে! তাই প্রতিপক্ষ যে কৌশলই নিক না কেন আমরা প্রস্তুত।’



