Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ নিয়ে উদ্যোগী কলকাতা পুরসভা, বরাদ্দ ৩০০ কোটি, দ্রুত টাকা ছাড়তে বিশেষ সেল

শহরজুড়ে চলছে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচির ভিত্তিতে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ। বিভিন্ন খাতে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কাজ হচ্ছে।

‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ নিয়ে উদ্যোগী কলকাতা পুরসভা, বরাদ্দ ৩০০ কোটি, দ্রুত টাকা ছাড়তে বিশেষ সেল
  • ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহরজুড়ে চলছে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচির ভিত্তিতে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ। বিভিন্ন খাতে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কাজ হচ্ছে। এই উন্নয়নমূলক কাজগুলি শেষ হলেই ঠিকাদাররা যাতে তাঁদের প্রাপ্য টাকা দ্রুত পেয়ে যান, সেটাই নিশ্চিত করতে উদ্যোগী হয়েছে কলকাতা পুরসভা। বিল জমা করা মাত্র ঠিকাদারদের টাকা মিটিয়ে দিতে বিশেষ সেল তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ২০ জন কর্মীকে আলাদাভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিলিংয়ের কাজ শেষ করার জন্য।

Advertisement

পুর কমিশনার সুমিত গুপ্তা এই সেল তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সরকারি কাজের টাকা দেরিতে পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন ঠিকাদাররা। পুরসভার কাজ করে বছরের পর বছর বকেয়া পড়ে রয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা, এমন উদাহরণও অনেক। তাই ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচির ভিত্তিতে যে কাজ হচ্ছে শহরে, সেক্ষেত্রে এই ধরনের কোনও অভিযোগের জায়গা রাখতে চাইছে না পুরসভা। পুরসভার অর্থ বিভাগ সূত্রে খবর, প্রথম দিকে এই কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন কাজের টেন্ডার ডাকতে সমস্যা হচ্ছিল। বহু ঠিকাদার টেন্ডারে অংশ নিতেই আগ্রহী ছিলেন না। কারণ, বাজারে পুরসভার বকেয়া রয়েছে প্রচুর টাকা। এক আধিকারিক বলেন, ‘ঠিকাদাররা কাজ করে টাকা পাবেন না, এমন একটা আশঙ্কা কাজ করছিল। তাঁদের সঙ্গে বৈঠক হয় আমাদের। বোঝানো হয়, এই কাজের অর্থ আলাদাভাবে বরাদ্দ হয়েছে এবং সেই টাকা কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যাবে। কাজ করে বিল জমা পড়লেই যতটা দ্রুত সম্ভব টাকা পৌঁছে যাবে ঠিকাদারের অ্যাকাউন্টে।’ তাছাড়া, প্রথম দফায় ৫০ কোটি টাকা আসার পর বেশ কিছুদিন টাকা পাওয়া যাচ্ছিল না। সপ্তাহখানেক আগে ২০০ কোটির বেশি টাকা পেয়েছে পুরসভা। পুর-কমিশনার নির্দেশ দিয়েছিলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দিতে হবে। টাকা দ্রুত মিলবে বলে প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর ঠিকাদাররা কাজে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এমনিতে নিয়মও হল, কাজ শেষে বিল জমা করার পর অর্থবিভাগকে যত দ্রুত সম্ভব ঠিকাদারের পাওনা মিটিয়ে দিতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে এত ছোটো ছোটো কাজের বিল তৈরি করা বেশ ঝক্কির বলে মনে করছেন পুরকর্তারা। ছোটো ফাইলের সংখ্যাটা অন্তত ন’হাজার হবে! ফলে এই সংখ্যক বিল ছাড়তে হবে। সেই কারণে আলাদাভাবে ২০ জন কর্মীকে বিলিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান এক আধিকারিক।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ