সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: কুম্ভ যাওয়ার পথে ফের দুর্ঘটনা। বিহারের সাসারামে পিকআপ ভ্যান দুর্ঘটনায় বিষ্ণুপুরের বাঁকাদহের এক তৃণমূল কর্মী ও ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের নাম হরিপদ সর্দার (৪৮) ও বংশী মণ্ডল (৬৪)। হরিপদবাবুর বাড়ি স্থানীয় চাঁচর গ্রামে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিষ্ণুপুর ব্লক কমিটির সদস্য ছিলেন। বংশীবাবুর বাড়ি বাঁকাদহের সাহাপাড়ায়। বৈতল মোড়ে তাঁর সব্জির আড়ত রয়েছে। ঘটনায় পিকআপ ভ্যানের চালক সহ সাতজন জখম হয়েছেন। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনায় মৃতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
Advertisement
বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসের তন্ময় ঘোষ বলেন, হরিপদবাবু সক্রিয় কর্মী ছিলেন। চাঁচর এলাকায় দলের সংগঠন বিস্তারে তার ভূমিকা রয়েছে। কুম্ভ যাওয়ার পথে বিহারে দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। খুবই মর্মান্তিক। আমাদের দল পরিবারের পাশে রয়েছে। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বাঁকাদহ এলাকার বিভিন্ন গ্রামের ব্যবসায়ী ও তাঁদের বন্ধু মিলিয়ে ১৪জন একটি পিকআপ ভ্যানে কুম্ভের উদ্দেশে রওনা দেন। বংশীবাবু ও হরিপদবাবু ওই ভ্যানের চালকের পাশে বসেছিলেন। বাকিরা ভ্যানের পিছনের অংশে বসেছিলেন। বৈতল মোড় থেকে রওনা দেওয়ার আগে ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইলে ছবি তোলা হয়। সেই ছবি হরিপদবাবু নিজের ফেসবুক পেজে আপলোডও করেন। ওই রাতে বিহারের সাসারামে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লরির পিছনে পিকআপ ভ্যানটি ধাক্কা মারে। তাতে ভ্যানের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। চালকের পাশে বসে থাকা হরিপদবাবু এবং বংশীবাবুকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এর আগে বৈতল মোড় থেকেই কয়েকজন পিকআপ ভ্যানে করে কুম্ভ থেকে ঘুরে আসেন। তাঁদের দেখা দেখি বংশীবাবু, হরিপদবাবুরাও ওইদিন রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু, এভাবে দুর্ঘটনা ঘটবে, তা ভাবা যায়নি। ভ্যানের পিছনে যাঁরা বসেছিলেন, তাঁরা অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন। সকলেই সুস্থ রয়েছেন। তবে চালকের আঘাত বেশি।
সোমবার ভোরের দিকে জখম ব্যবসায়ীরা মৃতদের বাড়িতে ফোন করে দুর্ঘটনার কথা জানান। স্থানীয় পুলিসের তরফেও মৃতদের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। ঘটনায় দুই পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হরিপদবাবুর বাবা ও মা অনেক আগেই মারা গিয়েছেন। পরিবারে হরিপদবাবুর স্ত্রী ছাড়াও এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ে নার্সিং ট্রেনিং করছে। ছেলেও পড়াশোনা করছে। হরিপদবাবু চাষবাস করে সংসার চালাতেন। হরিপদবাবুর স্ত্রী মমতা সর্দার কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার স্বামী সব্জি বিক্রি করতে বৈতল মোড়ে আড়তে যেতেন। সেখান থেকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরিচয় হয়। তাঁদের সঙ্গে রবিবার কুম্ভের পথে রওনা দেন। কিন্তু, তিনি যে আর ফিরবেন না, তা ভাবতেই পারছি না।
হরিপদবাবুর প্রতিবেশী শ্যামাপদ সর্দার বলেন, হরিপদ খুবই পরোপকারী ছিল। গ্রামের যে কেউ বিপদে পড়লে ও পাশে দাঁড়াত। ধর্মস্থানে যাওয়ার পথে ওর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। চাঁচর গ্রামের আরও দু’জন পিকআপ ভ্যানে ছিলেন। তাঁরা ভ্যানের পিছনে থাকায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন। বাঁকাদহের সাড়াপাড়ার বাসিন্দা পেশায় সব্জি ব্যবসায়ী বংশী মণ্ডলের দুই ছেলে। তাঁরা বিষ্ণুপুর থানার অধীনে সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ করেন। তাঁরা বলেন, বাবা সকলের সঙ্গে কুম্ভে গিয়েছিলেন। এরকম দুর্ঘটনার কবলে পড়বেন, তা বুঝতে পারিনি।
সোমবার ভোরের দিকে জখম ব্যবসায়ীরা মৃতদের বাড়িতে ফোন করে দুর্ঘটনার কথা জানান। স্থানীয় পুলিসের তরফেও মৃতদের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। ঘটনায় দুই পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হরিপদবাবুর বাবা ও মা অনেক আগেই মারা গিয়েছেন। পরিবারে হরিপদবাবুর স্ত্রী ছাড়াও এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ে নার্সিং ট্রেনিং করছে। ছেলেও পড়াশোনা করছে। হরিপদবাবু চাষবাস করে সংসার চালাতেন। হরিপদবাবুর স্ত্রী মমতা সর্দার কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার স্বামী সব্জি বিক্রি করতে বৈতল মোড়ে আড়তে যেতেন। সেখান থেকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরিচয় হয়। তাঁদের সঙ্গে রবিবার কুম্ভের পথে রওনা দেন। কিন্তু, তিনি যে আর ফিরবেন না, তা ভাবতেই পারছি না।
হরিপদবাবুর প্রতিবেশী শ্যামাপদ সর্দার বলেন, হরিপদ খুবই পরোপকারী ছিল। গ্রামের যে কেউ বিপদে পড়লে ও পাশে দাঁড়াত। ধর্মস্থানে যাওয়ার পথে ওর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। চাঁচর গ্রামের আরও দু’জন পিকআপ ভ্যানে ছিলেন। তাঁরা ভ্যানের পিছনে থাকায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন। বাঁকাদহের সাড়াপাড়ার বাসিন্দা পেশায় সব্জি ব্যবসায়ী বংশী মণ্ডলের দুই ছেলে। তাঁরা বিষ্ণুপুর থানার অধীনে সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ করেন। তাঁরা বলেন, বাবা সকলের সঙ্গে কুম্ভে গিয়েছিলেন। এরকম দুর্ঘটনার কবলে পড়বেন, তা বুঝতে পারিনি।



