Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

কুম্ভমেলা: নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের জন্য ৪০০ কোটির পরিকাঠামো

কুম্ভমেলা: নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের জন্য ৪০০ কোটির পরিকাঠামো
  • ৩ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নয়াদিল্লি: হাতে আর সপ্তাহ দু’য়েকও বাকি নেই। আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে বসছে মহাকুম্ভের আসর। দেশ-বিদেশ থেকে ৪০ কোটির বেশি ভক্ত-পুণ্যার্থী হাজির হতে চলেছেন এই মিলনমেলায়। তাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবা দিতে তৎপর প্রশাসন। এজন্য ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পরিকাঠামো তৈরি করেছে যোগী সরকার। জানা গিয়েছে, মেলা প্রাঙ্গণে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়ার জন্য উত্তরপ্রদেশ পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেড ১৮২ কিলোমিটার হাইটেনশন ও ১ হাজার ৪০৫ কিলোমিটার লো টেনশন লাইন বিছিয়েছে। এছাড়া, কুম্ভমেলা প্রাঙ্গণকে আলোকিত করতে এলইডি বাল্ব ছাড়াও ৪০ হাজার রিচার্জেবল বাতি লাগানো হচ্ছে। সবমিলিয়ে সাড়ের চার লক্ষের মতো বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। 
Advertisement
এদিকে, কুম্ভমেলাতে রুদ্রাক্ষ ও তুলসির মালার সহ পুজো সামগ্রীর বিপুল চাহিদা থাকে। সেই চাহিদা পূরণ করতে নেপাল, বারণসী, মথুরা ও বৃন্দাবন থেকে সামগ্রী আনা হচ্ছে প্রয়াগরাজে। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, উত্তরাখণ্ড ও নেপাল থেকে রুদ্রাক্ষের মালা আনা হচ্ছে। তুলসীর মামলা আসছে মথুরা ও বৃন্দাবন থেকে। পাশাপাশি, রোলি, চন্দনের মতো বিভিন্ন পূজা সামগ্রী বারাণসী ও দিল্লির পাহাড়গঞ্জ থেকে আনার ব্যবস্থা হচ্ছে। কুম্ভমেলাতে গীতার মতো ধর্মীয় গ্রন্থেরও ব্যাপক চাহিদা থাকে। প্রয়াগরাজের দারাগঞ্জের এক বই বিক্রেতা জানিয়েছেন, রামচরিত মানস, গীতা, শিব পুরাম, ভজন ও আরতির সংকলন পেতে ভক্ত-পুণ্যার্থীদের মধ্যে হুড়োহু঩ড়ি পড়ে যায়। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।  
সম্পর্কিত সংবাদ