Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কাল থেকেই ঘর অন্ধকার, আলো জ্বলেনি ছাদের মন্দিরে

কাল থেকেই ঘর অন্ধকার, আলো জ্বলেনি ছাদের মন্দিরে
  • ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত কয়েকদিন ধরে ট্যাংরার দে বাড়ি বেশ নিস্তব্ধ। আলো জ্বলতে দেখা যায়নি। এমনকী, চিলেকোঠার মন্দিরে যেখানে মাঝেমধ্যেই পুজো দিতে উঠতেন পরিবারের সদস্যরা, সেখানেও কাউকে দেখা যায়নি ক’দিন। প্রতিবেশীরা কেউ কেউ এই অস্বাভাবিকতা খেয়ালও করেছেন। শেষমেষ তাঁরা ভেবেছিলেন, ওই বাড়ির সবাই হয়তো কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন। কিন্তু বুধবার সকালে পাড়ায় পুলিসের তৎপরতা দেখে হতবাক হয়ে যান প্রতিবেশীরা। 
Advertisement
এক মহিলার কথায়, ‘খুবই ভালো মানুষ ছিলেন ওঁরা। এখানে দীর্ঘদিন রয়েছেন। আমাদের সঙ্গে কথাবার্তাও হতো। আমরা ভেবেছিলাম, সবাই মিলে কোথাও নিশ্চয়ই বেড়াতে গিয়েছেন। লম্বা ট্যুর। ঘুণাক্ষরে বুঝতে পারিনি যে ওঁদের এমন মর্মান্তিক পরিণতি হতে চলেছে।’ কথায় কথায় জানা গেল, প্রায় প্রতিদিন দে বাড়িতে আসতেন বিভিন্ন লোকজন। প্রতিবেশীরা তাঁদের হাসিখুশি, মিশুকে এবং আনন্দে দিনযাপন করতে দেখেছেন। টুকটাক অনুষ্ঠানও লেগে থাকত ওই বাড়িতে। এলাকার এক পুরনো বাসিন্দা বলছিলেন, ‘গ্লাভসের ব্যবসা আছে ওঁদের। কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না এরকম একটা ঘটনা।’ এলাকার বাসিন্দাদের আরও বক্তব্য, দে পরিবারের সদস্যরা অভিজাত শ্রেণির ছিলেন। বাড়ি থেকে বের হতেন গাড়িতে। ফিরতেনও গাড়িতেই। পাড়ায় কারও সঙ্গে কখনও ওঁরা খারাপ ব্যবহার করেননি। প্রতিদিন ছাদে উঠে চিলেকোঠার ছোট্ট ওই মন্দিরে পুজো দিতেন তাঁরা। মঙ্গলবার তেমন কিছু দেখতে না পাওয়ায় অনেকেই কিছুটা অবাক হয়েছিলেন। কিন্তু ঘর অন্ধকার থাকায় সবাই ধরে নিয়েছিলেন, বাড়িতে কেউ নেই। হয়তো বেড়াতে গিয়েছেন সবাই। প্রসূন-প্রণয়দের চোখের সামনে বড় হতে দেখেছেন প্রতিবেশীদের অনেকে। তাই গোটা পরিবারের এমন পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না তাঁরা। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ