সংবাদদাতা, মানকর: কাঁকসার মলানদিঘি পঞ্চায়েতের আকন্দারা এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হলেন। দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল সহ বিভিন্ন জায়গায় অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। আতঙ্কে ভুগছেন বাসিন্দারা। পশ্চিম বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শেখ মহম্মদ ইউনুস বলেন, সরস্বতী পুজোর প্রসাদ খেয়েছিলেন সকলে। সম্ভবত ফুড পয়জন হয়েছে। ২৪জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তবে সকলেই সুস্থ রয়েছেন। নতুন করে আর কেউ অসুস্থ হননি। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার জল ও রোগীদের পায়খানা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সরস্বতী পুজোর পর গোটাসিদ্ধ উৎসব ছিল। বুধবার দুপুর থেকেই বমি, পায়খানা শুরু হয় এলাকার বাসিন্দাদের। সন্ধ্যার পর থেকে অসুস্থ হন আরও কয়েকজন। বুধবার রাতে অসুস্থদের দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল, ইএসআই হাসপাতাল ও দু’টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দা অপর্ণা হাজরা বলেন, অনেকেরই হঠাৎ বমি, পায়খানা আর জ্বর আসছে। একটি পরিবারের প্রায় সকলেরই হচ্ছে। সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখন সরকারের করে দেওয়া চাপাকলের জল খাচ্ছি। ভয়ে রয়েছি। আর এক বাসিন্দা লাল্টু হাজরা বলেন, বাড়ির সকলেই অসুস্থ। সরস্বতী পুজোর গোটাসিদ্ধ খাওয়ার পর থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। গোটাসিদ্ধ নাকি জল থেকে এই শরীর খারাপ হয়েছে তা বুঝে উঠতে পারছেন না এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, অসুস্থতার খবর জেনেও প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়নি। ট্যাঙ্কারে জল পাঠানো হয়নি। যদিও আকন্দারা গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য সুনীতি চট্টোপাধ্যায় বলেন, পিএইচইকে বলে পরিস্রুত পানীয় জল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন উত্তম হাজরা বলেন, জ্বর, পেটে ব্যথা আর পায়খানা হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি।
মলানদিঘি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক রাজীব নন্দী এলাকায় এসে অসুস্থদের দেখেন। তিনি বলেন, সরস্বতী পুজোর পরদিন থেকে বমি, পায়খানার উপসর্গ দেখা দেয়। সবাইকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকার পানীয় জল ও পুকুরগুলি পরিষ্কারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মলানদিঘি পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বরূপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, অসুস্থদের হাসপাতালে ভর্তির পাশাপাশি যাঁরা বাড়িতে রয়েছেন তাঁদের ওআরএস এবং নানা ওষুধ দিয়ে এসেছি। জলও পাঠানো হয়েছে। মেডিক্যাল টিম রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। রাতে বাড়াবাড়ি হলে অ্যাম্বুল্যান্স সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা থাকছে। ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছি।
মলানদিঘি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক রাজীব নন্দী এলাকায় এসে অসুস্থদের দেখেন। তিনি বলেন, সরস্বতী পুজোর পরদিন থেকে বমি, পায়খানার উপসর্গ দেখা দেয়। সবাইকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকার পানীয় জল ও পুকুরগুলি পরিষ্কারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মলানদিঘি পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বরূপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, অসুস্থদের হাসপাতালে ভর্তির পাশাপাশি যাঁরা বাড়িতে রয়েছেন তাঁদের ওআরএস এবং নানা ওষুধ দিয়ে এসেছি। জলও পাঠানো হয়েছে। মেডিক্যাল টিম রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। রাতে বাড়াবাড়ি হলে অ্যাম্বুল্যান্স সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা থাকছে। ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছি।



