Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

চন্ডীগড়ে পৌঁছল কেকেআর, চ্যাম্পিয়নের মতো খেলেছ, বার্তা বাদশার

চন্ডীগড়ে পৌঁছল কেকেআর, চ্যাম্পিয়নের মতো খেলেছ, বার্তা বাদশার
  • ১৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

চণ্ডীগড়: চেন্নাই সুপার কিংসকে দুরমুশ করার পর আনন্দে মাতলেন অজিঙ্কা রাহানেরা। শুধু জয় নয়, চিপকে যে দাপটের সঙ্গে মহেন্দ্র সিং ধোনির দলকে হারিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স, সেটাই তৃপ্তি আনছে। ছয় ম্যাচে ৬ পয়েন্ট, একলাফে তালিকার তিন নম্বরে উঠে এসেছে নাইটরা। খুশির আমেজ কয়েকগুণ বাড়িয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক শাহরুখ খানের বার্তা। ক্রিকেটারদের নাম ধরে ধরে প্রত্যেককে উদ্দীপ্ত করেছেন তিনি। কেকেআরের সিইও বেঙ্কি মাইসোর পড়ে শুনিয়েছেন সেই বার্তা।

Advertisement

ঠিক কী লিখেছেন শাহরুখ? রুপোলি পর্দার ‘বাদশা’র বয়ান, ‘তোমাদের নিয়ে নতুন করে কী আর বলব? আমরা চ্যাম্পিয়নের মতো খেলেছি এই ম্যাচে। সুনীল নারিন যা সবচেয়ে ভালো পারে, সেটাই করে দেখিয়েছে। মঈন ভাই, তুমিও দারুণ খেলেছ। তোমার উপস্থিতি গোটা দলকে শান্ত করে।’ এরপর বরুণ চক্রবর্তী, বৈভব অরোরা, হর্ষিত রানা, রিঙ্কু সিং, কুইন্টন ডি’কক— মজার সুরে প্রত্যেকের কৃতিত্ব তুলে ধরেন তিনি। সবশেষে, অধিনায়ক রাহানে প্রসঙ্গে শাহরুখ লেখেন, ‘নেতৃত্ব, অসাধারণ ব্যাটিং এবং ফিল্ডিংয়ের জন্য তোমাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছা করছে। তুমি নেতা হিসেবে দারুণ। সবমিলিয়ে একজন পরিপূর্ণ অলরাউন্ডার।’
শুধু শাহরুখ নন, রাহানের প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত কেকেআরের বোলিং কোচ ওটিস গিবসনও। ড্রেসিংরুমে তিনি বলেছেন, ‘রোলমডেল খুঁজতে আমরা প্রায়শই বাইরে তাকাই। হয় ধোনি, না হয় বিরাটের কথা ভাবি। তবে এখন আর বাইরে তাকানোর দরকার নেই। আমাদের মধ্যেই একজন রোল মডেল রয়েছে। সে হল রাহানে। প্রতিদিন নেটে ব্যাট করতে নামার আগে খানিকক্ষণ জমিতে শট খেলার প্র্যাকটিস চালায়। এটাই আত্মবিশ্বাস বাড়ায় ওর। ফলে মাঠে গিয়ে বড় শট খেলতে অসুবিধা হয় না। আমাদের সবার উচিত রাহানেকে অনুসরণ করা। তাই জুনিয়ররা ওকে দেখে শেখো।’ মঈনের রোল মডেল অবশ্য রাহানে নন, সুনীল নারিন। মজার সুরে মঈন বলেন, ‘প্রথম বলে ওভাবে হেলায় ছক্কা মারা সহজ নয়। কিন্তু নারিন সেটাই সহজে করে দেখাচ্ছে।’ সঙ্গে সঙ্গে হাততালিতে ফেটে পড়ে ড্রেসিং-রুম।
নাইটদের পরের ম্যাচ পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে। নববর্ষের সন্ধ্যায় শ্রেয়স আয়ারদের মুখোমুখি হবেন নারিন-বরুণরা। সেজন্য শনিবার চণ্ডীগড়ে পৌঁছলেন নাইট ক্রিকেটাররা। বেগুনি-সোনালি জার্সিধারীদের ম্যাচ অবশ্য মোহালিতে নয়, মুল্লানপুরের নতুন স্টেডিয়ামে। তার আগে চেন্নাই-বধ নিয়ে নাইট ওপেনার কুইন্টন ডি’কক বলেছেন, ‘আমরা যখন বল করছিলাম, তখন পিচ মন্থর ছিল। থেমে থেমে বল আসছিল। আমাদের বোলাররা তা কাজে লাগিয়েছে। রাহানে আর মঈনের চিপকে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ওরা এখানকার কন্ডিশনের সঙ্গে পরিচিত। সেজন্যই আমরা বাড়তি স্পিনার খেলিয়েছিলাম। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ব্যাটিং অবশ্য সহজ হয়ে উঠেছিল।’ সঙ্গী ওপেনার নারিন সম্পর্কে ডি’ককের মূল্যায়ন, ‘ব্যাটিংয়ের সময় ও-ই আমাদের এক্স ফ্যাক্টর। প্রচণ্ড পরিশ্রম করে। কখনও কোনও প্র্যাকটিস মিস করেছে বলে মনে হয় না। আর বল হাতে দুর্দান্তভাবে গতির হেরফের ঘটায়। ওর কোন বলটা কোনদিকে ঘুরবে আগে বোঝা যায় না। একই কথা খাটে বরুণের ক্ষেত্রেও।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ