Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে গুয়াহাটিতে কেকেআর

আইপিএল অভিযানের শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। ঘরের মাঠে বোলিং-ব্যাটিং, সব বিভাগেই বিরাট কোহলিদের কাছে বশ মেনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।

ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে গুয়াহাটিতে কেকেআর
  • ২৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আইপিএল অভিযানের শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। ঘরের মাঠে বোলিং-ব্যাটিং, সব বিভাগেই বিরাট কোহলিদের কাছে বশ মেনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে মাত্র একটা ম্যাচ হেরেই হা-হুতাশ করতে রাজি নন ক্যাপ্টেন রাহানে। বরং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে সংকল্পবদ্ধ তিনি। সেই লক্ষ্যে রবিবার গুয়াহাটিতে পা রাখল নাইট-ব্রিগেড। আগামী বুধবার দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ রাজস্থান রয়্যালস।

Advertisement

উদ্বোধনী ম্যাচে শুরুটা ভালো করেও বড় স্কোর খাড়া করতে ব্যর্থ কেকেআর। সুনীল নারিন ও অজিঙ্কা রাহানে ছাড়া কেউ বড় রান পাননি। মিডল অর্ডারে অংক্রিশ রঘুবংশী কিছুটা লড়াই করেন। লোয়ার অর্ডারে রিঙ্কু সিং, আন্দ্রে রাসেল বা রমনদীপের কথা না বলাই ভালো। কেকেআরের ব্যাটিং দুর্দশার বিশ্লেষণে ক্যাপ্টেন রাহানের মন্তব্য, ‘বৃষ্টির কারণে পিচ দীর্ঘসময় ঢাকা ছিল। তাই শুরুর দিকে পেসাররা সুবিধা পেয়েছে। তা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে হ্যাজলউড। তবে আমরা প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নিয়েছিলাম। ১৩ ওভার পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। তখন মনে হচ্ছিল, দুশোর উপর রান উঠবে। তবে হঠাত্ ছন্দপতনে দু-তিনটি উইকেট হারানোই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়াল।’ শুধু ব্যাটিং নয়, কেকেআরের বোলাররাও পুরো ম্যাচে ফর্ম হাতড়ে বেড়িয়েছে। স্পিন বিভাগের প্রধান অস্ত্র বরুণকে টার্গেট করে নিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। ওভার প্রতি দশ রানের বেশি খরচ করেছেন মিস্ট্রি স্পিনার। নারিনও সেভাবে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। এই প্রসঙ্গে ক্যাপ্টেন বলছিলেন, ‘সত্যি বলতে, ঘরের মাঠে স্পিন সহায়ক উইকেটই আশা করেছিলাম। তেমনটা হয়নি। তবে কোনও অভিযোগ নেই। কারণ, উইকেট প্রায় দেড়দিন ঢাকা ছিল।’ কেকেআরের পেস বিভাগেও তেমন ধার চোখে পড়ল না। হর্ষিত রানা, বৈভব অরোরা ও স্পেনসার জনসন হাত খুলে রান খরচ করেছেন। অজি পেসার স্পেনসার তো ২.২ ওভারেই ৩১ রান দিয়েছেন। গতবারের চ্যাম্পিয়ন দলের অন্যতম সদস্য মিচেল স্টার্কের অভাব ভালোই অনুভূত হয়েছে।
উল্লেখ করতে হবে আরসিবি’র ফিল সল্টের কথাও। শনিবার শুরুতে ব্যাট হাতে ঝড় তুলে প্রাক্তন দলকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন তিনিই। তাঁকে না ধরে রাখাটা যে কতবড় ভুল ছিল, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে ম্যানেজমেন্ট। তবে শনিবারের ম্যাচের ইতিবাচক দিক ক্যাপ্টেন রাহনের ফর্ম। ৩১ বলে ৫৬ রানের ইনিংসের পর তিনি বলছিলেন, ‘আমার ব্যাটিং দেখে নিশ্চয়ই আপনারা খুশি হয়েছেন। বাকি ম্যাচগুলিতেও এভাবেই খেলার চেষ্টা করব। খেতাব জেতাই লক্ষ্য।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ