নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইডেনের বাইশ গজ এবারের আইপিএলে বারবার উঠে এসেছে চর্চায়। ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা পাচ্ছে না নাইট রাইডার্স, আলোচনা জোরদার। সেজন্যই সম্ভবত রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে কেকেআর ম্যাচের আগে বাইশ গজ নিয়ে উদ্যোগী দেখাল খোদ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। মাঠে এসে কিউরেটর সুজন মুখোপাখ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বললেন তিনি। ততক্ষণে অবশ্য নাইটদের অনুশীলনে বেজেছে ছুটির ঘণ্টা। আর রাজস্থান রয়্যালস তো অনেক আগেই পাততাড়ি গুটিয়েছে। রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে একফ্রেমে সেজন্যই ধরা গেল না সৌরভকে।
রাজস্থান ম্যাচের আগে নাইট শিবিরের অবশ্য পিচ নিয়ে বিশেষ মাথাব্যথা নজরে পড়ল না। তবে টিকে থাকার অঙ্কটা পরিষ্কার। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। তাই আগে যা হয়েছে তা ভুলে সামনে তাকানোই মন্ত্র নাইটদের। রভম্যান পাওয়েল বলেই দিলেন, ‘প্রতিযোগিতার প্রথমার্ধের ফলাফল এখন অতীত। শেষের দিকে যে দল দাপট দেখায়, তারাই বাজিমাত করে। আমাদেরও লক্ষ্য সেটাই। আমরা অবশ্য এমন কোণঠাসা পরিস্থিতিতে পড়তে চাইনি। তবে এখনও আমাদের হাতেই ভাগ্য রয়েছে। প্রতিটা ম্যাচেই ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রত্যেকে তৈরি।’ পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচে ১১২ রান তুলতে না পারার ফলেই এমন অস্বস্তিকর অবস্থা, স্বীকার করেছেন পাওয়েল। তাঁর মতে, ‘ওই পরাজয় যন্ত্রণাদায়ক। অন্যথায়, স্বস্তির অবস্থানে থাকতাম। মুখে হাসিও দেখতে পেতেন।’
এটা পরিষ্কার যে, শাহরুখের দল এখন প্রবল চাপে। উল্টোদিকের শিবিরে অবশ্য ফুরফুরে আবহ। বৈভব সূর্যবংশীর মুখে যেমন লেগেই থাকছে হাসি। তাঁকে যদিও রীতিমতো আগলে রাখছে রয়্যালসরা। বোলিং কোচ শেন বন্ড বললেন, ‘ওকে শুরুতে ঝড় তোলার লাইসেন্স দেওয়া রয়েছে। সেঞ্চুরির পরের ইনিংসে রান না এলেও আমরা চিন্তিত নই। ও দুর্দান্ত প্রতিভাবান। তবে ওঠা-পড়া লেগেই থাকবে। তাই ধৈর্য ধরা জরুরি। আমরা ওকে অবশ্য সবরকম ভাবে গাইড করছি। সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য যাবতীয় সবকিছু থেকে আড়াল করছি।’