Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কাজের ‘টোপ’ দিয়ে গণধর্ষণে অভিযুক্তকে ধরল মধ্যমগ্রাম থানা

কাজের ‘টোপ’ দিয়ে গণধর্ষণে অভিযুক্তকে ধরল মধ্যমগ্রাম থানা
  • ৬ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মধ্যমগ্রামে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হল তারক দাসকে (৩০)। বুধবার সকালে বারাসত থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। আদালতে তোলা হলে দু’দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ২৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যমগ্রামের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। তারপর থেকে পলাতক ছিল তারক।  
Advertisement
পেশায় লরিচালক তারককে ধরতে কাজে লাগানো হয় তার ঘনিষ্ঠদের। অবশেষে সাফল্য পেল তদন্তকারীরা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার একদিন পর অন্য রাজ্যে চলে গিয়েছিল তারক দাস। নিজের ফোনও সে ব্যবহার করছিল না। অন্যের ফোন ব্যবহার করে ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তদন্তের গতিপ্রকৃতি জানার চেষ্টা করছিল। বিষয়টি কানে পৌঁছয় পুলিসের। তারপরেই মধ্যমগ্রাম থানার আধিকারিকরা তারকের বন্ধুদের ডাকে। মোটা টাকায় লরি চালানোর কাজের টোপ দিয়ে তারককে ডেকে পাঠানো হয় বারাসতে। পাশাপাশি বন্ধুরা জানায়, কোর্টে এলে আইনজীবী ধরে আগাম জামিন হয়ে যাবে। বন্ধুদের কথা শুনে প্রথমে সে সোদপুরে আসে। সেখানে দু’দিন গা ঢাকা দিয়ে থাকে। বুধবার সকালে ফের বন্ধুরা তারককে ফোন করে বারাসত হাসপাতালে কাছে আসতে বলে। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিস। যদিও জেরাই পুলিসকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে তারক। 
উল্লেখ্য, ২৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যমগ্রামের পাঁচনম্বর ওয়ার্ডে এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে ফাঁকা বাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। তাতে অভিযুক্ত ছিল কিশোরীর বন্ধু ও পড়শি যুবক তারক। মূলত, তারকের ভাড়া বাড়িতেই অপকর্ম হয়। শুধু তাই নয়, গণধর্ষণের ভিডিও রীতিমতো ক্যামেরাবন্দি করে রাখে অভিযুক্তরা। আর সেই ভিডিও দেখিয়ে কিশোরীকে ব্ল্যাকমেল করত তারা। -নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ