Bartaman Logo
১৪ জুন, ২০২৬

বিজয়ের মন্ত্রিসভায় ভোটকুশলী হিসাবে বঙ্গে কাজ করা কীর্তনা

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন টিভিকের প্রধান বিজয়। তাঁর সঙ্গেই রবিবার মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন আরও ছ’জন

বিজয়ের মন্ত্রিসভায় ভোটকুশলী হিসাবে বঙ্গে কাজ করা কীর্তনা
  • ১১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

চেন্নাই: সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন টিভিকের প্রধান বিজয়। তাঁর সঙ্গেই রবিবার মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন আরও ছ’জন। আর সেই মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন ২৯ বছরের এস কীর্তনা। টিভিকের কনিষ্ঠতম বিধায়ক তিনিই। তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে কার্যত ঝড় তুলে দিয়েছেন বিজয়। নতুন বিকল্প হিসাবে উঠে এসছে টিভিকে। বিজয়ের সেই নতুন ধারার রাজনীতিরই অন্যতম মুখ কীর্তনা। স্ট্যাটিসটিক্স নিয়ে স্নাতকোত্তর। তারপর পলিটিক্যাল স্ট্র্যাটেজিস্ট বা ভোটকুশলী হিসাবে কেরিয়ার শুরু। ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু সহ পাঁচটি ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারেন। ভোটকুশলী হিসাবে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাজ করেছেন পশ্চিমবঙ্গেও। প্রথমবার ভোটে জিতেই একেবারে মন্ত্রীর দায়িত্ব! শপথ নেওয়ার আগে কীর্তনা বলেন, ‘আমি সবসময় নিজেকে রাজনীতিতে দেখতে চেয়েছিলাম। তার জন্যই স্ট্র্যাটেজিস্টের কেরিয়ার বেছে নিয়েছিলাম। বিভিন্ন নেতার সঙ্গে কাজ করেছি। ফলে প্রশাসন ও আমলাতন্ত্র কীভাবে কাজ করে, তা আমি জানি।’ 

Advertisement

১৯৯৬ সালে বিরুদ্ধনগরে জন্ম কীর্তনার। স্কুলজীবন শেষ করে মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন একটি কলেজ থেকে গণিতে বিএসসি পাশ করেন। এরপর ২০১৯ সালে পুদুচেরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্ট্যাটিসটিক্স নিয়ে এমএসসি পাশ করেন। এরপর আইপ্যাক এবং অন্য একটি সংস্থার হয়ে ভোটকুশলীর দায়িত্ব সামলান কীর্তনা। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশের তেলুগু দেশম পার্টি এবং তামিলনাড়ুতেই ডিএমকের হয়ে ভোট প্রচারের দায়িত্ব সামলেছিলেন। কীর্তনা নিজেই জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রবাবু নাইডু ও এম কে স্ট্যালিনের মতো নেতাদের সঙ্গে কাজ করার ফলে প্রশাসন, শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে খুঁটিনাটি শিখতে পেরেছেন। একাধিক ভাষা জানার ফলে বিভিন্ন রাজ্যের মানুষের সঙ্গেও সহজে মিশতে পেরেছেন তিনি। তাতেও নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বেড়েছে। দলের প্রধান বিজয়ের বার্তা অন্য রাজ্যে ছড়িয়ে দিতে তিনি হিন্দির সাহায্য নেন।
বিধানসভা নির্বাচনে বিরুদ্ধনগরের শিবকাশী আসনে কীর্তনাকে প্রার্থী করেছিলেন বিজয়। বাজি, দেশলাই কারখানার জন্য বিখ্যাত শিবকাশীতে কীর্তনা পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৭০৯ ভোট। কংগ্রেস প্রার্থী জি অশোকানকে ১১ হাজার ৬৭০ ভোটে হারিয়েছেন তিনি। গত ৭০ বছরে শিবকাশী আসনে এই প্রথম কোনো মহিলা প্রার্থী জয় পেলেন। কিন্তু টিভিকেতে যোগ দিলেন কেন? কীর্তনার উত্তর, ‘টিভিকে এমন একটা দল, যেখানে সকলের অধিকার রয়েছে। আপনার যদি টাকা বা রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নাও থাকে, তাহলেও আপনি এই দলে স্থান পাবেন।’  শপথবাক্য পাঠ করছেন কীর্তনা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ