Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

খানাকুলে সেচের সুবিধার্থে ফের ডিপ টিউবওয়েল খনন, খুশি চাষিরা

খানাকুলে সেচের সুবিধার্থে ফের ডিপ টিউবওয়েল খনন, খুশি চাষিরা
  • ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: খানাকুলে ১২ ধরে অকেজো ছিল সেচের কাজে ব্যবহৃত ডিপ টিউবওয়েল। অবশেষে তা ফের চালুর উদ্যোগ নিল প্রশাসন। হীরাপুরে সম্প্রতি ডিপ টিউবওয়েল খননের কাজ শুরু হয়েছে। পৃথক আরএকটি ডিপ টিউবওয়েল সেনহাটে গড়ার প্রস্তাব রয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। সেচের জন্য ডিপ টিউবওয়েলের কাজ শুরু হওয়ায় খুশি চাষিরা। 
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সত্তরের দশকে খানাকুলের হীরাপুরে নির্মিত হয় সেচ প্রকল্পটি। সেখান থেকে জমিতে সেচের জল দিতেন চাষিরা। ফসল ফলত। কিন্তু, প্রায় ১২ বছর আগে তা বিকল হয়ে পড়ে। সেচের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। চাষিদের দাবি, সেচের অভাবে অনেক জমি অনাবাদী হয়ে পড়ে থাকত। ফের যাতে ডিপ টিউবওয়েলটি পুনরুজ্জীবিত করা যায় তার দাবি জানিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানানো হয়। অবশেষে পুনরায় কাজ শুরু হয়েছে। 
স্থানীয় চাষি আনিসুল হক, শেখ মানোয়ার হোসেন বলেন, কয়েক বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়েছিল আমাদের এই ডিপ টিউবওয়েল। তা মেরামত করে পুনরায় চালু করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানানো হয়। অবশেষে কাজ শুরু হওয়ায় আমরা খুশি। 
নাসিম আনোয়ার মণ্ডল আবার বলেন, বর্ষার সময় বন্যার জলে প্রায় প্রত্যেক বছরই ধান নষ্ট হয়ে যায়। রবি মরশুমে চাষ করা হলেও সেচের অভাবে তার ফলন ভালো হতো না। ভেজা জমিতে অনেকে সর্ষে চাষ করত। ডিপ টিউবওয়েলটি গড়ে উঠলে সেচ দিয়ে রবি মরশুমের বাকি চাষগুলিও ভালোভাবে হবে বলে আমরা আশা করছি।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নব নির্মিত ডিপ টিউবওয়েল থেকে এলাকার প্রায় ৩০০ একর জমিতে সেচের কাজ করা যাবে। আপাতত পুরনো পাইপ লাইন থেকেই জলের সরবরাহ চলবে। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় তার মেরামতি প্রয়োজন বলে দাবি চাষিদের। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, আপাতত নতুন খনন করে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হচ্ছে। পরে পাইপ লাইনগুলির বিষয়েও ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। 
চাষিরা বলেন, রবি মরশুমে সর্ষে, তিল, পাট প্রভৃতি ফসলের চাষ আমরা করি। ডিপ টিউবওয়েল অকেজো হয়ে পড়ায় সাধারণ খালের জল থেকে সেচের কাজ করতে হতো। এতে অনেক টাকা খরচ হতো। তাছাড়া সেচের সমস্যার ফলে চাষের এলাকাও কমে আসে। তবে ডিপটিউবওয়েল গড়ে উঠলে ফের চাষের কাজে যেমন গতি আসবে, তেমনই খরচ কম হবে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ