নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজপুর সোনারপুর পুরসভা এলাকায় প্রায়ই পুকুর ভরাট কিংবা জলাজমি বুজিয়ে নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া যায়। এবার খেলার মাঠ দখল করে প্রোমোটিংয়ের চেষ্টার অভিযোগে শোরগোল পড়ল রাজপুরে। এই দখলদারি রুখতে এককাট্টা হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুখ্যমন্ত্রী, ক্রীড়ামন্ত্রী, যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ও জেলাশাসকের অফিসে এই নিয়ে চিঠি দিয়েছে স্থানীয় ক্লাব রাজপুর পল্লিশ্রী সমিতি। তাতে আড়াইশোর বেশি বাসিন্দার সই রয়েছে। জনমত গড়ে তুলতে রাজপুর জুড়ে পোস্টার, ব্যানারে ছয়লাপ করে দেওয়া হয়েছে। কোনওভাবেই যাতে সেই মাঠ বেদখল না হয়, সেজন্য আন্দোলনে নামারও হুমকি দিয়েছেন এলাকাবাসীরা।
Advertisement
ক্লাব কমিটির এক সদস্য জানান, একদিন হঠাৎ করে এক ব্যক্তি এসে দাবি করেন যে, এই মাঠের মালিক তিনি। অথচ কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তলে তলে একটি চক্র এটি দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা সেটা হতে দেব না।
রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত এই মাঠ, যা রাজপুর পল্লিশ্রী সমিতি ও হরকালী বিদ্যামন্দিরের মাঠ হিসেবেই সকলের কাছে পরিচিত। ওই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা এখানে খেলাধুলা করে। প্রতি বছর তাদের বার্ষিক স্পোর্টসও এই মাঠেই অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন সময় সেখানে ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেট সহ নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক সভাও হয়েছে এই মাঠে। এই সবুজ বাঁচাতে যাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন, তাঁদের অনেকেই এখানে খেলে বড় হয়েছেন। কেউ কেউ এখন নিজেদের সন্তানকে এই মাঠে নিয়ে আসেন। হঠাৎ করেই সেটা দখল করার চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। মাঠ বাঁচানোর আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত মন্টু চক্রবর্তী জানান, তিনি ১৯৭৮ সাল থেকে এই মাঠে খেলছেন। অনেক নামী ফুটবলারও এই মাঠে খেলেছেন। কিন্তু দালাল ও প্রোমোটিং চক্র এই মাঠ দখলের চেষ্টা করছে বলে তাঁর অভিযোগ। স্থানীয় বধূ সোমা দাস বলেন, ভুয়ো দলিল দেখিয়ে কয়েকজন এই মাঠ দখলের চেষ্টা করছেন। কিন্তু আমরা সেটা হতে দেব না। এই প্রসঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান পল্লব দাস বলেন, ক্লাবের থেকে একটা চিঠি পেয়েছি। কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত এই মাঠ, যা রাজপুর পল্লিশ্রী সমিতি ও হরকালী বিদ্যামন্দিরের মাঠ হিসেবেই সকলের কাছে পরিচিত। ওই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা এখানে খেলাধুলা করে। প্রতি বছর তাদের বার্ষিক স্পোর্টসও এই মাঠেই অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন সময় সেখানে ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেট সহ নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক সভাও হয়েছে এই মাঠে। এই সবুজ বাঁচাতে যাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন, তাঁদের অনেকেই এখানে খেলে বড় হয়েছেন। কেউ কেউ এখন নিজেদের সন্তানকে এই মাঠে নিয়ে আসেন। হঠাৎ করেই সেটা দখল করার চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। মাঠ বাঁচানোর আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত মন্টু চক্রবর্তী জানান, তিনি ১৯৭৮ সাল থেকে এই মাঠে খেলছেন। অনেক নামী ফুটবলারও এই মাঠে খেলেছেন। কিন্তু দালাল ও প্রোমোটিং চক্র এই মাঠ দখলের চেষ্টা করছে বলে তাঁর অভিযোগ। স্থানীয় বধূ সোমা দাস বলেন, ভুয়ো দলিল দেখিয়ে কয়েকজন এই মাঠ দখলের চেষ্টা করছেন। কিন্তু আমরা সেটা হতে দেব না। এই প্রসঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান পল্লব দাস বলেন, ক্লাবের থেকে একটা চিঠি পেয়েছি। কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



