ঢাকা: ‘বৈষম্যহীন’ বাংলাদেশে এবার খুন হিন্দু ছাত্র। শুক্রবার রাতে প্রকাশ্য রাস্তায় অর্ণবকুমার সরকার (২৬) নামে ওই ছাত্রকে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। খুলনা শহরের তেঁতুলতলা মোড় এলাকায় এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সোনাডাঙ্গার বাসিন্দা অর্ণব ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ পড়ুয়া। এভাবে একজন মেধাবী ছাত্র খুন হওয়ায় হতবাক এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু কী কারণে তাঁকে খুন করা হল, তা নিয়ে অন্ধকারে পুলিস। তবে একটি সূত্রের খবর, সম্ভবত অর্ণব দুষ্কৃতীদের প্রধান ‘টার্গেট’ ছিলেন না। কিন্তু আসল ‘টার্গেট’-এর ঘনিষ্ঠ হওয়ায় খেসারত দিতে হল এই পড়ুয়াকে।
Advertisement
মহম্মদ ইউনুসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা তলানিতে এসে ঠেকেছে। প্রায় প্রতিদিনই হিন্দুদের উপর হামলার খবর মিলছে। তাতে মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। পাশাপাশি বাড়িতে বা মন্দিরে হামলাও ‘সাধারণ’ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও ইউনুস যুক্তি দিয়েছিলেন, ধর্মীয় নয়, এইসব হামলার কারণ রাজনৈতিক। অর্থাত্, আওয়ামি লিগের কর্মী বা সমর্থক হওয়ার জন্য হিন্দুদের উপর হামলা হচ্ছে। পাল্টা প্রশ্ন উঠেছে, কোনও নির্দিষ্ট দলের সমর্থক হলেই কি হামলা চালানো যুক্তিযুক্ত? এক্ষেত্রে মৃত ছাত্রের পরিবার স্পষ্টই জানিয়েছে, অর্ণব কোনও রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে কোনওদিন যুক্ত ছিলেন না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাস্তার পাশের একটি চায়ের দোকানের সামনে মোটরবাইকে বসে চা খাচ্ছিলেন অর্ণব। আচমকাই চার-পাঁচজন দুষ্কৃতী বাইকে চেপে এসে প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অর্ণবকে একের পর এক কোপ মারে। অর্ণব রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে তাঁকে লক্ষ্য করে পর পর গুলি করা হয়। একটি গুলি তাঁর মাথা ফুঁড়ে যায়। স্থানীয়রা অর্ণবকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সক মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে কার্তুজের পাঁচটি খোল উদ্ধার হয়েছে। খুলনা মহানগর পুলিসে ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) মহম্মদ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, কেন ও কী কারণে ওই ছাত্রকে খুন করা হল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, সাতক্ষীরা জেলার লাঙ্গলদাড়িয়ায় অনিমেষ সরকার নামে এক যুবককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনিমেষ ছিলেন পেশায় সাইকেল মিস্ত্রি। এক্ষেত্রেও মৌলবাদীদের দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাস্তার পাশের একটি চায়ের দোকানের সামনে মোটরবাইকে বসে চা খাচ্ছিলেন অর্ণব। আচমকাই চার-পাঁচজন দুষ্কৃতী বাইকে চেপে এসে প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অর্ণবকে একের পর এক কোপ মারে। অর্ণব রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে তাঁকে লক্ষ্য করে পর পর গুলি করা হয়। একটি গুলি তাঁর মাথা ফুঁড়ে যায়। স্থানীয়রা অর্ণবকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সক মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে কার্তুজের পাঁচটি খোল উদ্ধার হয়েছে। খুলনা মহানগর পুলিসে ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) মহম্মদ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, কেন ও কী কারণে ওই ছাত্রকে খুন করা হল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, সাতক্ষীরা জেলার লাঙ্গলদাড়িয়ায় অনিমেষ সরকার নামে এক যুবককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনিমেষ ছিলেন পেশায় সাইকেল মিস্ত্রি। এক্ষেত্রেও মৌলবাদীদের দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।



