দুবাই: পাকিস্তান বধের আনন্দে মাতোয়ারা দেশ। রবিবারের মহারণে রোহিত বাহিনীর দাপুটে জয়ের পর কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা মেতেছে আনন্দে। প্রশংসায় ভাসছেন জয়ের কারিগর বিরাট কোহলিও। প্রাক্তনরা রাতারাতি সুর বদলে তাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত। নভজ্যোৎ সিং সিধু যেমন বলেছেন, ‘আমি নিশ্চিত, আরও বছর দুই-তিন কোহলি খেলবে। আরও ১০-১৫টা শতরান করবে। কঠিন সময়ে কে কেমন করছে সেটাই আসল পরীক্ষা। আর প্রতিকূল পরিস্থিতিতেই সেরাটা বেরিয়ে আসে কোহলির। গত ছয় মাসে কম সমালোচিত হয়নি ও। শেষ পর্যন্ত ফর্মে ফেরার জন্য পাকিস্তান ম্যাচকেই বেছে নিল। ইনিংসের শুরুতে যে ড্রাইভগুলো মেরেছে তাতে পুরনো ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত। ওর মতো ক্রিকেটার প্রজন্মে একটাই আসে। বিরাট হল কোহিনুর।’
Advertisement
সোশ্যাল মিডিয়ায় যুবরাজ সিং লিখেছেন, ‘দরকারের সময় যথারীতি বিরাটই জ্বলে উঠল। কিং কোহলিকে পাওয়া গেল সেরা ফর্মে। দুর্দান্ত শতরানেই তা প্রতিফলিত। প্রশংসা প্রাপ্য শ্রেয়স আয়ার, শুভমান গিলেরও। তবে বড্ড একপেশে ম্যাচ হল। ভারতের বোলিংও দুর্দান্ত হয়েছিল। বিশেষ করে হার্দিক পান্ডিয়া ও কুলদীপ যাদবের কথা বলতে হবে।’
অজয় জাদেজাও একই সুরে বলেছেন, ‘পাকিস্তান তো টস ছাড়া কিছুই ঠিকঠাক করেনি। এই ম্যাচ ঘিরে প্রবল আগ্রহ ছিল ক্রিকেট মহলে। কিন্তু একেবারে শিক্ষানবিশের মতো খেলল ওরা। ভারত রীতিমতো দুরমুশ করল ওদের। পাকিস্তান যেন হারার জন্যই নেমেছিল। ম্যাচে কখনওই মনে হয়নি ওরা জিততে পারে। পাকিস্তানের ক্রিকেট ঐতিহ্যের সঙ্গে এই দলটা একেবারে বেমানান। ওদের কোনও স্কিলই নেই।’
অজয় জাদেজাও একই সুরে বলেছেন, ‘পাকিস্তান তো টস ছাড়া কিছুই ঠিকঠাক করেনি। এই ম্যাচ ঘিরে প্রবল আগ্রহ ছিল ক্রিকেট মহলে। কিন্তু একেবারে শিক্ষানবিশের মতো খেলল ওরা। ভারত রীতিমতো দুরমুশ করল ওদের। পাকিস্তান যেন হারার জন্যই নেমেছিল। ম্যাচে কখনওই মনে হয়নি ওরা জিততে পারে। পাকিস্তানের ক্রিকেট ঐতিহ্যের সঙ্গে এই দলটা একেবারে বেমানান। ওদের কোনও স্কিলই নেই।’



