পারথ: কয়েক বছর ধরেই টেস্ট ক্রিকেটে বিরাট কোহলির ফর্মের গ্রাফ নিম্নমুখী। শেষ ছয় টেস্টে ব্যাটিং গড় ২২.৭২। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচে সর্বসাকুল্যে করেছিলেন মাত্র ৯৩ রান। শেষ কবে কোহলি লাল বলের ফরম্যাটে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন তা বলা কঠিন। স্বভাবতই প্রবল চাপে ভিকে। তার উপর ২২ নভেম্বর পারথে শুরু হতে চলা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে নেই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ফলে কোহলিকে ঘিরে প্রত্যাশা ও চাপ দুটোই থাকবে। তিনি কি পারবেন খরা কাটিয়ে উঠতে? ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর রীতিমতো আশাবাদী। তাঁর কথায়, ‘নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে রান পায়নি কোহলি। ফলে ও ক্ষুধার্ত। রানের জন্য ঝাঁপাবেই। এমনিতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ওর রেকর্ড খুবই ভালো। ব্যাটিং গড় ৫৪.০৮। এখানকার পিচের সঙ্গে ও খুব সুন্দরভাবে মানিয়ে নিতে পারে। গতবার অ্যাডিলেডে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৬ রানে অল-আউট হয়ে গিয়েছিল। কোহলি কিন্তু প্রথম ইনিংসে ৭৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে। রান আউটের আগে পর্যন্ত প্রবল আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছিল ওকে। তবে ২০১৮-১৯ মরশুমে পারথে কোহলির সেঞ্চুরি আজও চোখে লেগে আছে। এই মাঠে অতীতে রান পাওয়ায় এবার আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে নামতে পারবে। বড় রান পাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্য ভাগ্যের সাহায্য দরকার হয়। তাই শুরুটা ভালো করতে পারলে, বিরাটকে থামানো কঠিন হবে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে।’
Advertisement
পারথে যে শতরানের কথা গাভাসকর বলেছেন, সেটাই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেরা ইনিংস বলে চিহ্নিত করেছেন খোদ বিরাট। বোর্ডের পোস্ট করা এক ভিডিওতে মহম্মদ সিরাজ অস্ট্রেলিয়ায় সেরা ইনিংসের ব্যাপারে জানতে চান তাঁর কাছে। বিরাট উত্তর দেন, ‘পারথের সেঞ্চুরিই এদেশে আমার সেরা ইনিংস। টেস্টে ওর থেকে কঠিন পিচে খেলিনি।’ সেই ভিডিও’তে বিরাটকে ‘লেজেন্ড’ বলে সম্বোধন করতে দেখা যায় সিরাজ ও সরফরাজ খানকে।
এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বিরাটই অজি বোলারদের পয়লা নম্বর ‘শত্রু’। সেটা প্রাক্তন ক্রিকেটারদের বক্তব্যে স্পষ্ট। মাঠের ভিতরে প্যাট কামিন্স, স্টিভ স্মিথরা লড়বেন। তার আগেই কোহলির উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছেন ম্যাকগ্রারা। ভারতীয় দলের প্রাণভোমরা কোহলির আবেগকে কাজে লাগিয়ে তাঁকে বিপাকে ফেলার দাওয়াইও বাতলে দিয়েছেন প্রাক্তন অজি পেসার। কথার এই যুদ্ধে শামিল সঞ্জয় মঞ্জরেকরও। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, ‘কোহলিকে বুঝতে হবে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা ওকে ফাঁদে ফেলার কৌশল নেবে। আমার মতে অফ স্টাম্পের বাইরের বলে বেশি ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো। বল ছাড়তে হবে। আমরা দেখেছি, কোহলি এই ধরনের ডেলিভারিতে ড্রাইভ করতে ভালোবাসে। জস হ্যাজলউড অফ-মিডল স্টাম্পে বল পিচ করিয়ে ওর শরীরে আঘাত হানার চেষ্টা করবে। সেই ফাঁদেও পা দেওয়া চলবে না।’
এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বিরাটই অজি বোলারদের পয়লা নম্বর ‘শত্রু’। সেটা প্রাক্তন ক্রিকেটারদের বক্তব্যে স্পষ্ট। মাঠের ভিতরে প্যাট কামিন্স, স্টিভ স্মিথরা লড়বেন। তার আগেই কোহলির উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছেন ম্যাকগ্রারা। ভারতীয় দলের প্রাণভোমরা কোহলির আবেগকে কাজে লাগিয়ে তাঁকে বিপাকে ফেলার দাওয়াইও বাতলে দিয়েছেন প্রাক্তন অজি পেসার। কথার এই যুদ্ধে শামিল সঞ্জয় মঞ্জরেকরও। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, ‘কোহলিকে বুঝতে হবে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা ওকে ফাঁদে ফেলার কৌশল নেবে। আমার মতে অফ স্টাম্পের বাইরের বলে বেশি ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো। বল ছাড়তে হবে। আমরা দেখেছি, কোহলি এই ধরনের ডেলিভারিতে ড্রাইভ করতে ভালোবাসে। জস হ্যাজলউড অফ-মিডল স্টাম্পে বল পিচ করিয়ে ওর শরীরে আঘাত হানার চেষ্টা করবে। সেই ফাঁদেও পা দেওয়া চলবে না।’



