নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: খড়্গপুর-২ ব্লকের লছমাপুর পঞ্চায়েতে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ শিবিরে প্রায় আড়াইহাজার মানুষের সমাগম হল। শিবিরে এসে স্থানীয়রা এলাকার রাস্তার সমস্যার কথা জানানোর পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার আবেদন করেছেন। পঞ্চায়েতের সদস্যরা শিবিরে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা মানুষের কথা শুনে প্রতিটি বুথের নানা সমস্যা লিখে রেখেছেন।
সোমবার এই কর্মসূচিতে বিডিও সুব্রত ঘোষ, পঞ্চায়েতের প্রধান সোমা ভক্তা মান্না, উপপ্রধান মহব্বত চৌধুরী, সঞ্চালক বাপি ভক্তা সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের কথা ভাবেন। সেজন্য এই জনমুখী প্রকল্প চালু করেছেন। এই শিবিরের মাধ্যমে মানুষকে নানা পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে কাজের গতি আরও বাড়বে।
খড়্গপুর-২ ব্লকের এই পঞ্চায়েত তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। ২০২৩সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২৮টি আসনের মধ্যে তৃণমূল প্রার্থীরা ২৫টিতে জয়ী হন। বাকি দু’টি বিজেপি ও একটি আসন সিপিএমের দখলে যায়। নতুন বোর্ড তৈরির পর থেকেই কাজের গতি বাড়তে শুরু করে। গত অর্থবর্ষে এই পঞ্চায়েত উন্নয়নমূলক কাজে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করেছে। একাধিক রাস্তা, পানীয় জলপ্রকল্প, আইসিডিএস কেন্দ্র সংস্কার, পথবাতি বসানো হয়েছে। গ্রামবাসীরা জানালেন, এবছর অতিবৃষ্টিতে রাস্তার ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে বহু মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কিছু এলাকায় নিকাশি সমস্যা মেটানো দরকার। এসবই পাড়ায় সমাধানে তুলে ধরা হয়েছে।তৃণমূল যুব’র ব্লক সভাপতি বাপি ভক্তা বলেন, জনপ্রতিনিধিরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন। মানুষ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন। ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী কথা দিলে কথা রাখতে জানেন। আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না। বিজেপি নেতারা কাজ করে না। তাঁরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে ব্যস্ত থাকেন।-নিজস্ব চিত্র