


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জাতীয় দলের নতুন কোচের দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন খালিদ জামিল। শুক্রবার ফেডারেশনের কার্যকরী সমিতির বৈঠকে খালিদকেই নতুন কোচ বেছে নেওয়া হয়। সইসাবুদ এখনও হয়নি। তবে চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার কথা। তাই জামশেদপুর এফসি’কে খুব তাড়াতাড়ি বিকল্প ভাবতে হবে। আসলে বিদেশি কোচেদের ভিড়ে ভারতীয় মুখ একেবারেই কোণঠাসা। উজ্জ্বল ব্যতিক্রম খালিদ। তিনি সাফল্য পেলে প্রমাণ হবে ভারতীয়রাও কম নন। তাঁর সঙ্গেই তালিকায় ছিল স্টিফেন কনস্টানটাইন ও টারকোভিচের নাম কিন্তু খালিদকে কোচ করার পক্ষে জোরাল সওয়াল করেন বিমল ঘোষ। আইএম বিজয়নের টেকনিক্যাল কমিটিও সেই পরামর্শ মেনে নেয়।
কেমন কোচ খালিদ জামিল? মুম্বইকর ও বিতর্ক যেন সমার্থক। খালিদের তুকতাক নিয়ে ভারতীয় ফুটবলে জোর চর্চা। কেউ মুখ টিপে হাসেন। কেউ বা বিরক্ত। তবে তাঁর প্যাশন ও আত্মত্যাগ নিয়ে সিম্পলি কোনও কথা হবে না। তাঁর কোচিংয়েই আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয় আইজল এফসি। চুলোভা, ডানমাভিয়া, আশুতোষ মেহতাদের রাতারাতি পাদপ্রদীপের আলোয় নিয়ে আসার কারিগরও খালিদ। পরবর্তীকালে ইস্ট বেঙ্গল ও মোহন বাগানের দায়িত্বও সামলেছেন। ফুটবলার চেনেন হাতের তালুর মতো। পাশাপাশি, ভারতীয় ফুটবলের অন্ধকার দিকও অজানা নয়। বিশেষ করে সিনিয়র দলের বিশেষ এক ফুটবলারের অঙ্গুলিহেলন ও কোটা সিস্টেম নিয়ে একগাদা অভিযোগ। ড্রেসিং-রুম সাফ করে প্রতিভাবান ফুটবলার আমদানি করাই তাঁর কাছে আসল চ্যালেঞ্জ। আগস্টের শেষে কাফা কাপ প্রথম পরীক্ষা। প্রতিপক্ষ তাজাকিস্তান, ইরান ও আফগানিস্তান।