পুনে: কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। হত্যার পর তাঁর মোবাইলটি দীর্ঘক্ষণ সিয়া ও চেতন চৌধুরীর কাছেই ছিল। পরে অবশ্য ফোনটি তারা তুলে দেয় কেতনের পরিবারের হাতে। তার আগে ফোন থেকে কোনো ডিজিটাল তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কেতনের ফোনটির ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য আদালতের কাছে আরজি জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবীও। তবে এই খুনের মামলায় পুলিশের হাতে কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান নেই। অপরাধের সরাসরি প্রমাণ হিসাবে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও পাওয়া যায়নি। প্রশ্ন উঠছে, মেঘালয়ের বহুচর্চিত ‘হানিমুন মার্ডার’ মামলার প্রধান অভিযুক্ত সোনম রঘুবংশীর মতো আইনি ফাঁকফোকরের সুবিধা নিয়ে সিয়া ও তার প্রেমিকও জামিন পেয়ে যাবে না তো?



