নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রামমন্দিরে ভক্ত ও পূণ্যার্থীদের প্রণামি, দান, অলংকার চুরি যাওয়ার পর প্রণামি ও দানের অঙ্ক কমে গিয়েছে। কারণ, দান দেওয়া মানেই চুরি হবে। এই বক্তব্য অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। শুক্রবার অযোধ্যায় কেজরিওয়াল বলেছে, এতদিন গড়ে দিনে ১৫ লক্ষ টাকা করে প্রণামি, দানের টাকা জমা পড়ত। এখন চুরির তথ্য ফাঁস হওয়ার পর দিনে লক্ষ টাকারও কম প্রণামী জমা পড়ছে। কেজরিওয়াল বলেছেন, হিন্দুরা চাঁদাচোর পার্টিদের বিশ্বাস করেছিল। অথচ সেই চাঁদাচোর পার্টি হিন্দুদের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করল। রামমন্দিরের দানের টাকা চুরি বিতর্কের মধ্যেই রামলালার দর্শনে গিয়েছিলেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর ওই সফরকে কটাক্ষ করে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিরূপ মন্তব্য করার পরই যোগীকে পালটা সতর্ক করেন কেজরিওয়াল। বললেন, আমাকে আক্রমণ করতে গিয়ে রামমন্দিরের চোরেদের সমর্থন করবেন না। মনে রাখবেন আপনাকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরাতেই এসব চোর ও তাদের পিছনে থাকা চালিকাশক্তি চক্রান্ত করছে। যাতে সব দোষ আর দায় আপনার কাঁধে চাপানো যায়। আগামী বছরের ভোটে আপনার বিরুদ্ধে বিজেপির সর্বোচ্চ স্তরের একাংশ চক্রান্ত করছে। কেজরিওয়াল বলেন, চুরির পরিমাণ ও সুতো কতদূর ছড়ানো একবার ভাবুন। প্রধানমন্ত্রী যেখানে হিসাব চাইছেন, সেখানে ট্রাস্ট বলেছে, হিসাব দেব না। এত সাহস ট্রাস্টের হল কীভাবে? নিশ্চয়ই বহু উচ্চপদে চুরির টাকা গিয়েছে। রামমন্দিরের চুরি নিয়ে বিজেপি যে যথেষ্ট অস্বস্তিতে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তার মধ্যেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বিজেপির অন্দরেই অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি করে দিলেন কেজরিওয়াল।



