নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফুটবল কেরিয়ারে উইঙ্গার ছিলেন অস্কার ব্রুজোঁ। এখনও যা ফিট ভেটারেন ফুটবল দাপিয়ে বেড়াবেন। লাল-হলুদ অনুশীলনে স্প্যানিশ কোচের ইনসুইং সেন্টার দেখে ফুটবলারদের চোখ কপালে। পেনাল্টি বক্সে হিউম্যান ওয়াল সাজিয়ে ব্রুজোঁ হাতে-কলমে দেখালেন, ঠিক কোথায় বল ভাসালে লক্ষ্যভেদ সহজ হবে। স্প্যানিশ কোচের হাতে নন্দ, মহেশের মতো অভিজ্ঞ উইঙ্গার রয়েছেন। তবে কেউই ফর্মের ধারেকাছে নেই। নির্বিষ সেন্টার হেলায় ক্লিয়ার করছে প্রতিপক্ষ। কখনও নক কিকিং ফুট ঠিক না থাকায় বেলুনের মতো উড়ে যাচ্ছে গ্যালারিতে। চোখে আঙুল দিয়ে ভুলটা দেখিয়ে দিলেন অস্কার। নন্দ, মহেশরা দ্রুত ছন্দ পেলে আরও ধারালো হবে আক্রমণ। তাই আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছেন স্প্যানিশ কোচ।
Advertisement
চলতি আইএসএলে সাত ম্যাচ পরে প্রথম জয় পেয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। শনিবার অ্যাওয়ে যুদ্ধে ক্লেটনদের প্রতিপক্ষ চেন্নাইয়ান এফসি। শুক্রবার সকালে কলকাতায় প্র্যাকটিস সেরে চেন্নাই উড়ে যাবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অনুশীলনে অনুপস্থিত হেক্টর ইউস্তে। কুঁচকির ব্যথায় কয়েকদিন আগেই দেশে ফিরেছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, তাঁর এমআরআই করানো হয়েছে। রিপোর্টের অপেক্ষায় উদ্বিগ্ন টিম ম্যানেজমেন্ট। একান্তই না পারলে হিজাজি ভরসা। কোচ ব্রুজোঁর মন্তব্য, ‘হেক্টর টানা খেলে ক্লান্ত। তাই বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। অনুশীলনে দেখা হবে ওকে।’ পাশাপাশি কার্ড সমস্যায় ব্রুজোঁর কপালে চিন্তার ভাঁজ স্পষ্ট। ক্লেটন, সাউল, হেক্টর ও হিজাজি— এই চার ফুটবলার তিনটি করে হলুদ কার্ড দেখে ফেলেছেন। চেন্নাইয়ানের বিরুদ্ধে কার্ড দেখা মানেই ওড়িশার বিরুদ্ধে তাঁদের সার্ভিস মিলবে না। এমনিতেই ব্রুজোঁর টানাটানির সংসার। হিসেব করে দিন গুজরান করতে হয় তাঁকে। এই প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘ফুটবলাররা সতর্ক। তবে পরিস্থিতির উপর অনেককিছু নির্ভরশীল। সবকিছু আমার হাতে নেই।’ কোচের পাশে বসে জিকসন সিংও জানালেন তাঁরা লড়তে তৈরি। উল্লেখ্য, নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে অনভ্যস্ত রাউট উইং পজিশনে ভালোই কাজ চালিয়েছেন তিনি। এখন নন্দ ফেরায় কপাল পুড়তে পারে জিকসনের।
ঘরের মাঠে চেন্নাইয়ান শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। চলতি আইএসএলে ডার্ক হর্স। যুবভারতীতে মোহন বাগানকে প্রায় রুখে দিয়েছিল আওয়েন কোয়েল ব্রিগেড। বড় চেহারার এলসিনহো, রায়ান এডওয়ার্ডদের পোক্ত রক্ষণ ফিজিক্যাল ফুটবল খেলতে অভ্যস্ত। এরিয়াল বলেও দক্ষতা তুঙ্গে। তাই দিয়ামানতাকোসের জন্য কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। পাশাপাশি উইলমার গিল, চিমা, ভিন্সি ব্যারেটোর মতো ফুটবলার যে কোনও সময়ে জাল কাঁপাতে দক্ষ। কোনর শিল্ড দুরন্ত ফর্মে। উইং থেকে কাট করে ঢুকে লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা রাখেন তিনি। একবার গোল পেয়ে গেলে রক্ষণে তালা লাগিয়ে দেবেন কোয়েল। প্রয়োজনে টাফ ফুটবলেও পিছপা নন তিনি।
ঘরের মাঠে চেন্নাইয়ান শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। চলতি আইএসএলে ডার্ক হর্স। যুবভারতীতে মোহন বাগানকে প্রায় রুখে দিয়েছিল আওয়েন কোয়েল ব্রিগেড। বড় চেহারার এলসিনহো, রায়ান এডওয়ার্ডদের পোক্ত রক্ষণ ফিজিক্যাল ফুটবল খেলতে অভ্যস্ত। এরিয়াল বলেও দক্ষতা তুঙ্গে। তাই দিয়ামানতাকোসের জন্য কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। পাশাপাশি উইলমার গিল, চিমা, ভিন্সি ব্যারেটোর মতো ফুটবলার যে কোনও সময়ে জাল কাঁপাতে দক্ষ। কোনর শিল্ড দুরন্ত ফর্মে। উইং থেকে কাট করে ঢুকে লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা রাখেন তিনি। একবার গোল পেয়ে গেলে রক্ষণে তালা লাগিয়ে দেবেন কোয়েল। প্রয়োজনে টাফ ফুটবলেও পিছপা নন তিনি।



