Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

স্বাধীন সিন্ধুদেশের দাবিতে সরব করাচি, পাকিস্তান মুর্দাবাদ ধ্বনি

জারো কণ্ঠে ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’ ও আজাদির ধ্বনি। বালুচিস্তানের পর এবার সরব সিন্ধুপ্রদেশের করাচি। ডিয়ে সিন্ধ মুত্তাহিদা মহাজের ডাকে রবিবার সিন্ধি কালচারাল সেন্টারে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনষ্ঠিত হয়।

স্বাধীন সিন্ধুদেশের দাবিতে সরব করাচি, পাকিস্তান মুর্দাবাদ ধ্বনি
  • ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:১২
Prefer us on Google

ইসলামাবাদ: হাজারো কণ্ঠে ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’ ও আজাদির ধ্বনি। বালুচিস্তানের পর এবার সরব সিন্ধুপ্রদেশের করাচি। ডিয়ে সিন্ধ মুত্তাহিদা মহাজের ডাকে রবিবার সিন্ধি কালচারাল সেন্টারে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনষ্ঠিত হয়। স্বাধীন সিন্ধুদেশের দাবিতে আন্দোলনে নামার ঘোষণাও করা হয়। বিক্ষোভ সামলাতে লৎপর ছিল প্রশাসন। ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। পাক সংবাদপত্র ডনের খবর বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশকর্মী জখম হয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা যথেচ্ছ ইট-পাথর ছুড়েছে। ভাঙচুর চালিয়েছে। করাচির বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায়  সংঘর্ষ হয়েছে। প্রসঙ্গত জেএসএসএমের নেতা সফি বুরফাত সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের কাছে সিন্ধুদেশকে স্বাধীন দেশের মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Advertisement

এদিকে, ভারতের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও ফের পাকিস্তানকে টাকা দিতে চলেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (আইএমএফ)। জানা গিয়েছে, নতুন কিস্তিতে ১২০ কোটি মার্কিন ডলার পাবে ইসলামাবাদ। আইএমএফ জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে শাহবাজ শরিফের দেশ। জারি রয়েছে আর্থিক সংস্কার। সোমবার ওয়াশিংটনের বৈঠকে ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় আইএমএফ এগজিকিউটিভ বোর্ড। রিপোর্টে তারা জানিয়েছে, ‘বন্যার জেরে খাবারের দাম বেড়েছে ঠিকই। ফলে মূদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সেটা সাময়িক হতে পারে।’ আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্ক বলেন, ‘এই অস্থির আবহে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য পাকিস্তানকে সঠিক নীতি বেছে নিতে হবে।’ সংবাদসংস্থা ‘ডন’ জানিয়েছে, মোট দু’ট প্রকল্পের অধীনে ঋণ দেওয়া হয়েছে। প্রথমটি এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফেসিলিটি (এএফএফ)। দ্বিতীয়টি রেজিলিয়েন্স সাসটেনেবিলিটি ফেসিলিটি (আরএসএফ)। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ইসলামাবাদকে ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার দিয়েছে আইএমএফ। যদিও আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওয়াকিবহাল মহল। তাদের আশঙ্কা, প্রাপ্ত অর্থের একটা বড় অংশ সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য ব্যবহার করবে পাকিস্তান। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ