লখনউ: শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন বৃদ্ধা। কিন্তু, কর্তৃপক্ষের গাফিলতির জেরে তাঁর ডান হাতটাই বাদ দিতে হয়। এই নিয়ে গাফিলতির অভিযোগও জানান বৃদ্ধার ছেলে। পেশায় আইটিবিপির জওয়ান ওই ব্যক্তি সুবিচার চেয়ে ঘুরলেও কোনো লাভ হয়নি। বরং হাসপাতালকে ক্লিনচিট দেয় প্রশাসন। এর প্রতিবাদে কানপুর পুলিশ কমিশনারেট ঘেরাও করলেন আইটিবিপির সশস্ত্র জওয়ান ও আধিকারিকরা। এর জেরে গোটা চত্বরে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায়। চাপে পড়ে স্বাস্থ্যবিভাগকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে ফের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কানপুর পুলিশ।
জানা গিয়েছে, শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন আইটিবিপির জওয়ান বিকাশ সিংয়ের বৃদ্ধা মা। চিকিৎসার জন্য তাঁকে কানপুরের তাঁতমিলের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান ছেলে। সেখানে রাতভর চিকিৎসা চলে। তাতে শ্বাসকষ্টের সমস্যা মিটলেও পরদিন দেখা যায় বৃদ্ধার ডান হাত সম্পূর্ণ কালো হয়ে গিয়েছে। সর্বত্র সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন তিনি। বারবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও লাভ হয়নি। পরে ব্যাটালিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বিকাশ। বাহিনীর আধিকারিকদের পরামর্শে বৃদ্ধাকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু, তাঁর হাতটি রক্ষা করা যায়নি। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে, রোগীকে বাঁচানোর জন্য হাত বাদ দিতে হয়। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তোলেন জওয়ান। তাঁর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করে স্বাস্থ্যদপ্তর। কিন্তু, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো দোষ তাদের নজরে আসেনি। এতেই তুমুল ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই জওয়ান। তারপর কমিশনারেট ঘেরাও করেন আইটিবিপির কমান্ডো ও আধিকারিকরা। চাপে পড়ে ফের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।