দুবাই: আগামী রবিবার দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে মুখোমুখি ভারত-নিউজিল্যান্ড। মহারণের আগে মরুশহরে টিম ইন্ডিয়ার সব ম্যাচ খেলা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। তবে সেই পথে হাঁটতে নারাজ কিউয়ি অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ভারতের বাড়তি সুবিধা পাওয়ার তত্ত্ব উড়িয়ে তিনি বলেন, ‘ওরা দুবাইয়ে বেশকিছু ম্যাচ খেলেছে। তাই সেখানকার পিচ, পরিবেশ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রয়েছে। ভারতীয় দল জানে ফাইনালে কীভাবে খেলতে হবে। তবে এতে বিতর্কের কিছু নেই। সেদিক থেকে দেখলে, আমরাও লাহোরে বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছিলাম। তাই সেমি-ফাইনালে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়নি।’ উল্লেখ্য, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতি হিসেবে আয়োজিত ত্রিদেশীয় সিরিজে লাহোরে দু’টি ম্যাচ খেলেছিল নিউজিল্যান্ড।
বাইরের বিতর্কে কান দেওয়া উইলিয়ামসনের না পসন্দ। বরং মাঠের লড়াই মাঠেই লড়তে চান তিনি। সেমি-ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে দিয়ে ইতিমধ্যে দুবাইয়ে পৌঁছে গিয়েছে কিউয়ি ব্রিগেড। তারকা ব্যাটারের কথায়, ‘এখন আমাদের যাবতীয় ফোকাস ফাইনালে। দুবাইয়ের পরিবেশ লাহোরের থেকে আলাদা। তাই মাঠ, প্রতিপক্ষ— সবকিছু নিয়েই পরিকল্পনা করতে হবে। হাতে দু-তিন দিন সময় রয়েছে। তার মধ্যে পুরোপুরি তৈরি হয়েই মহারণে নামতে চাই। ভারত খুবই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। গ্রুপ পর্বে ওদের কাছে হেরেছিলাম আমরা। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে।’ সেমি-ফাইনালে শতরান হাঁকিয়ে দলকে ভরসা জুগিয়েছিলেন উইলিয়ামসন ও রাচীন রবীন্দ্র। ফাইনালেও সেই ছন্দ ধরে রাখতে চান তিনি। পাশাপাশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত ওপেনারকেও প্রশংসায় ভরিয়েছেন। উইলিয়ামসন বলেন, ‘রাচীন অসাধারণ প্রতিভা। আইসিসি টুর্নামেন্টে বরাবরই উজ্জ্বল পারফরম্যান্স মেলে ধরে। আশা করব, ফাইনালেও ওর ব্যাটে শতরান আসবে।’
এদিকে, দুবাইয়ের পিচ নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন রাচীন রবীন্দ্র। তিনি বলেন, ‘গ্রুপ পর্বে ভারতের বিরুদ্ধে দুবাইয়ের উইকেটে স্পিনারদের জন্য বাড়তি সুবিধা ছিল। তবে গত ম্যাচে দেখলাম, বল সেভাবে ঘোরেনি। তাই ফাইনালে উইকেট কেমন হতে চলেছে, তা অনুমান করা মুশকিল। আশা করব, স্পোর্টিং উইকেট হবে।’ চলতি আসরে দুরন্ত ছন্দে থাকলেও ভারতের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বড় রান পাননি রাচীন। তবে তার প্রভাব ফাইনালে পড়বে না বলেই মনে করছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘গ্রুপ পর্বের হার অতীত। ফাইনালে নতুন লড়াই। দলগতভাবে সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরে ট্রফি জেতাই লক্ষ্য।’