Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দুর্গাপুজোর তোরণেই কালীপুজোর আলোকসজ্জা? শঙ্কিত বারাসতবাসী

কালীপুজো উপলক্ষ্যে সেজে উঠছে বারাসত। তার আগেই পুলিশি নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল। গুরুত্বপূর্ণ একাধিক রাস্তা ‘দখল’ করে তৈরি হয়েছে তোরণ।

দুর্গাপুজোর তোরণেই কালীপুজোর আলোকসজ্জা? শঙ্কিত বারাসতবাসী
  • ৯ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: কালীপুজো উপলক্ষ্যে সেজে উঠছে বারাসত। তার আগেই পুলিশি নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল। গুরুত্বপূর্ণ একাধিক রাস্তা ‘দখল’ করে তৈরি হয়েছে তোরণ। কোথাও আবার রাস্তার উপরে না হলেও দু’ধারে তৈরি হয়েছে অস্থায়ী বাঁশের কাঠামো। সেগুলি সঠিকভাবে তৈরি করা হয়নি বলে অভিযোগ মানুষের। হাল্কা ঝোড়ো হাওয়ায় ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এক্ষেত্রে পুলিশের যথাযথ নজরদারির দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 

Advertisement

প্রতি বছরই একাধিক বিগ বাজেটের কালীপুজো হয় বারাসত ও মধ্যমগ্রামে। সেই উপলক্ষ্যে রাস্তার দু’পাশে আলোকসজ্জার জন্য তৈরি হয় বড় বড় তোরণ। অন্যান্যবারের তুলনায় এবার কিছুটা হলেও কমেছে এই ধরনের কাঠামো ও তোরণের সংখ্যা। কিন্তু দুর্গাপুজোর সময় বসানো ‘ওভারহেড গেট’-এর সিংহভাগই এখনও রয়ে গিয়েছে। বিপজ্জনকভাবে রাস্তার উপর সেগুলি দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে, দুর্ঘটনার আতঙ্ক তাড়া করছে মানুষকে। দুর্গাপুজোর সময় হাল্কা ঝোড়ো হাওয়াতে বারাসতের টাকি রোডে একটি আলোকসজ্জার তোরণ রাস্তার উপর ভেঙে পড়েছিল। দীর্ঘক্ষণ ব্যাহত হয় যান চলাচল। কালীপুজোর আগে একইভাবে বারাসত-টাকি রোড কিংবা যশোর রোডে তৈরি হয়েছে বা হচ্ছে বড় বড় তোরণ। কালীপুজোর মুখে ঝুঁকি নিয়ে মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ জোরালো হচ্ছে। বারাসত শহরের ব্যবসায়ী সমুদ্র দেব বলেন, ‘শুধু বারাসত বলে নয়, মধ্যমগ্রামেরও একই অবস্থা। দুর্গাপুজোর গেটগুলোই রেখে দেওয়া হয়েছে। কালীপুজোতেও আলো বসবে। পুলিশ বলেছে ওভারহেড গেট থাকবে না, কেবল এল প্যাটার্ন। কিন্তু তারপরও রয়ে গিয়েছে।’ তাহলে কি পুলিশের নজরদারি নেই? মধ্যমগ্রামের কলেজছাত্রী জয়ী রায় বলেন, ‘প্রতিদিন হেঁটে রাস্তা পেরই। চৌমাথার যেখান দিয়ে যাতায়াত করতে হয়, তার উপরেই রয়েছে একটি বিপজ্জনক গেট। ভেঙে পড়লে বড় বিপদ হবে। পুলিশের উচিত এনিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।’ স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ. সব কিছু জেনেও চুপ পুলিশ। কারণ, পুজোর কর্তারা ‘হেভিওয়েট’। বিষয়টি নিয়ে বারাসত পুলিশ জেলার কর্তাদের ফোন বা মেসেজ করা হলেও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।-নিজস্ব চিত্র

সম্পর্কিত সংবাদ