Bartaman Logo
১০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২১ জুলাই: মমতা বনাম ঋতব্রত শিবিরের লড়াই, সবাই মজা নিন, বলছে বিজেপি

একুশে জুলাইয়ের সাতদিন আগেও শহিদ তর্পণ কর্মসূচি ঘিরে মমতা বনাম ঋতব্রত শিবিরের দড়ি টানাটানি অব্যাহত। ১৯৯৩ সালে ১৩ জন শহিদ হন।

২১ জুলাই: মমতা বনাম ঋতব্রত শিবিরের লড়াই, সবাই মজা নিন, বলছে বিজেপি
  • ১৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একুশে জুলাইয়ের সাতদিন আগেও শহিদ তর্পণ কর্মসূচি ঘিরে মমতা বনাম ঋতব্রত শিবিরের দড়ি টানাটানি অব্যাহত। ১৯৯৩ সালে ১৩ জন শহিদ হন। পরের বছর থেকে শহিদ তর্পণ কর্মসূচি পালন করে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সাড়া জাগানো কর্মসূচিতে এতদিনের মধ্যে ছন্দপতন ঘটছে এবারই প্রথম। যে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে মমতা সভা করতেন, সেখানে এবার তা করা যাবে না বলে পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে। ২১ জুলাইয়ের আগে কেন ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউস চত্বরে ৬০ দিন ধরে জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে, এই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল। কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষে মামলা করেছেন সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংসদ তথা আইনজাবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা আগামী বুধবার। 

Advertisement

কালীঘাট সূত্রের খবর, তাদের সমাবেশের বিকল্প জায়গা হিসাবে ডোরিনা ক্রসিংয়ের ভাবনা রয়েছে। মমমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, মমতাকে ভয় পেয়েছে বিজেপি সরকারের পুলিশ। ‘রেকর্ড সমাবেশ’ হতে পারে, এটা বুঝেই আমাদের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। বিজেপি তাদের বি-টিম অর্থাৎ তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরকে তোল্লাই দিচ্ছে।
অন্যদিকে, পুলিশের কাছে সভা করার অনুমতি পাওয়ার পর এদিন মেয়ো রোডে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিম, সন্দীপন সাহা, বিপ্লব মিত্র, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শিউলি সাহা প্রমুখ। মেয়ো রোডে কোথায় মঞ্চ বাঁধা হবে, কোন পথ দিয়ে কর্মী-সমর্থকরা আসবেন, তা পর্যবেক্ষণ করেন তাঁরা। ঋতব্রত বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমরা ‘পরামর্শদাতা’ হিসাবে থাকার প্রস্তাব দিয়েছি। আমরা চাই উনি আসুন আমাদের কর্মসূচিতে। ঋতব্রত শিবিরের অন্য নেতারা বলেন, সেলিব্রেটিদের ডেকে এনে নাচ-গানের অনুষ্ঠান আমরা করব না। শহিদ পরিবারের সদস্যরা থাকবেন। শহিদ তর্পণ করা হবে যথানিয়মে। তবে তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়েনি বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, ২১ জুলাই ফ্লপ হবে। তার আগে তৃণমূলের দুই শিবিরের যে লড়াই হচ্ছে, সেটা দেখুন আর মজা নিন সকলে। রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, এবারের ২১ জুলাইতে ডিম-ভাত বন্ধ!
অন্যদিকে, ২১ জুলাই শহিদ মিনারে কর্মসূচি করবে কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, মেয়ো রোডে হবে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের মাধ্যমে বিজেপির শ্যাডো কর্মসূচি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ