নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বসিরহাট আদালতে বিচারককে হেনস্তার ঘটনায় ছয় আইনজীবীকে ডেকে পাঠাল কলকাতা বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে’র ডিভিশন বেঞ্চ। আজ মঙ্গলবার তাঁদের হাজিরা দিতে হবে। সোমবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দেবাংশু বসাক বলেন, এই প্রথম নয়, এর আগে ২০১২ সালেও আদালতে কাজ বন্ধের জন্য ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়েছিল ওই ছয় আইনজীবীর বিরুদ্ধে। এছাড়াও এদিন বসিরহাট আদালতের এপিপি (অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর)-কেও ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি বসাক। বিচারককে হেনস্তার ঘটনায় ওই ছয় আইনজীবী হলফনামায় দাবি করেছেন, তাঁরা ভালো পরিবার থেকে এসেছেন। অথচ ২০১২ সালেও একই ঘটনায় তাঁদের নামে অভিযোগ এসেছিল। যার প্রেক্ষিতে বিচারপতি বসাকের পর্যবেক্ষণ, ওই আদালতের যেটুকু সামনে এসেছে, তা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। এদিন আদালতে একটি ভিডিয়ো চালানো হয়। সেখানে দেখা যায় দু’জন বিচারকের বিরুদ্ধে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে একজন বারের সম্পাদক। ওই দুই আইনজীবীকে হলফনামা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়াও একটি পকসো মামলায় নিম্ন আদালতে সওয়াল পর্বে অংশগ্রহণ করেননি এপিপি। ফলে জামিন হয়ে যায় অভিযুক্তর। এ প্রসঙ্গে বসিরহাট আদালতের এপিপি গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, আদালতে সিজ ওয়ার্ক চলছিল। তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। বিচারপতি বসাক বলেন, তাঁকে বলতে হবে, কারা তাঁকে বাধা দিয়েছিলেন।



