নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুল কর্মসংস্থানের আশা জাগিয়ে অশোকনগরে শুরু হয়েছিল প্রাকৃতিক তেল ও গ্যাস উত্তোলন প্রকল্পের কাজ। কিন্তু জমিজটের কারণে কয়েকমাস চলার পর তা বন্ধও হয়ে যায়। প্রকল্প ঘিরে যাঁরা উপার্জনের আশা করছিলেন, ছোটখাটো দোকানপাট দিয়েছিলেন সংলগ্ন অঞ্চলে, তাঁরা হতাশ হয়ে পড়েন। এই অবস্থায় বিশ্ববঙ্গ বণিজ্য সম্মেলনের শেষ দিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ঘোষণায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন এলাকার হাজার হাজার মানুষ।
Advertisement
সেদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, অশোকনগরে তেল উত্তোলনকারী সংস্থাকে ১ টাকায় ১৫ একর জমি দেওয়া হচ্ছে। এই ঘোষণায় জমিজট থেকে মুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরের
দিন থেকেই ফের তেল উত্তোলন শুরু হয়ে গিয়েছে। এই প্রকল্প এবং একে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অনুসারী শিল্পে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের আশাও উজ্জ্বল হয়েছে।
অশোকনগর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাইগাছিতে ওএনজিসির প্রকল্পটি রয়েছে। ২০১৮ সালের ২০ আগষ্ট এখানে প্রাকৃতিক তেল ও গ্যাসের সন্ধান পায় ওএনজিসি। রাজ্য সরকারের ত্রাণ-পুনর্বাসন দপ্তরের প্রায় সাড়ে তিন একর জমিতে মাটির নীচ থেকে তেল উত্তোলনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০২০ সালের শেষের দিকে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় পেট্রলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রকল্প এলাকার মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২০০ মিটার গভীর একটি কূপ থেকে তেল উত্তোলন শুরু হয়। উত্তোলিত তেল পরিশোধনের জন্য পাঠানো হয় হলদিয়া তৈল শোধনাগারে। দেশের তেল মানচিত্রে রাতারাতি উঠে আসে অশোকনগরের নাম। প্রকল্প ঘিরে দিনে দিনে মানুষের আনাগোনা অনেক বাড়বে আশা করে অনেক বেকার যুবক অশোকনগর-নৈহাটি রোডের ধারে দোকান খুলে ফেলেন। কয়েক মাস ব্যবসা চলেও ভালো। তারপর প্রকল্পেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। প্রশাসন সূত্রে খবর, এই প্রকল্পের জন্য আরও জমির প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেই জমি
পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে ওএনজিসি। লিজ নিয়েও কিছু জট তৈরি হয়। মূলত এই দুই কারণে কাজ বন্ধ করে দিতে হয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই জট কেটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রবি দাস বলেন, ‘আমার কয়েকজন বন্ধু প্রকল্পে কাজ করত। তাঁরা কাজ হারিয়েছিল। নতুন করে কাজ শুরু হওয়ায় তাঁরাও আবার কাজ পাবে।’ ফকির আলি, জীবন সিকদাররা বলেন, ‘তেল তোলার কাজ চলতে চলতে আচমকাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় জমি সংক্রান্ত সমস্যা মিটে যাওয়ার পরই কাজ শুরু হয়েছে। আমরা ভালো কিছুর আশা করছি।’ অশোকনগর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রবোধ সরকার বলেন, ‘রাজ্য সরকারের সাড়ে তিন একর জমিতেই কাজ শুরু হয়। জমির জন্য পুরসভার পক্ষ থেকে নো-অবজেকশন চিঠিও দেওয়া হয়েছে। শিল্পের প্রসারে মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর আশা করি, আর কোনও প্রতিবন্ধকতা থাকবে না।’
দিন থেকেই ফের তেল উত্তোলন শুরু হয়ে গিয়েছে। এই প্রকল্প এবং একে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অনুসারী শিল্পে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের আশাও উজ্জ্বল হয়েছে।
অশোকনগর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাইগাছিতে ওএনজিসির প্রকল্পটি রয়েছে। ২০১৮ সালের ২০ আগষ্ট এখানে প্রাকৃতিক তেল ও গ্যাসের সন্ধান পায় ওএনজিসি। রাজ্য সরকারের ত্রাণ-পুনর্বাসন দপ্তরের প্রায় সাড়ে তিন একর জমিতে মাটির নীচ থেকে তেল উত্তোলনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০২০ সালের শেষের দিকে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় পেট্রলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রকল্প এলাকার মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২০০ মিটার গভীর একটি কূপ থেকে তেল উত্তোলন শুরু হয়। উত্তোলিত তেল পরিশোধনের জন্য পাঠানো হয় হলদিয়া তৈল শোধনাগারে। দেশের তেল মানচিত্রে রাতারাতি উঠে আসে অশোকনগরের নাম। প্রকল্প ঘিরে দিনে দিনে মানুষের আনাগোনা অনেক বাড়বে আশা করে অনেক বেকার যুবক অশোকনগর-নৈহাটি রোডের ধারে দোকান খুলে ফেলেন। কয়েক মাস ব্যবসা চলেও ভালো। তারপর প্রকল্পেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। প্রশাসন সূত্রে খবর, এই প্রকল্পের জন্য আরও জমির প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেই জমি
পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে ওএনজিসি। লিজ নিয়েও কিছু জট তৈরি হয়। মূলত এই দুই কারণে কাজ বন্ধ করে দিতে হয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই জট কেটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রবি দাস বলেন, ‘আমার কয়েকজন বন্ধু প্রকল্পে কাজ করত। তাঁরা কাজ হারিয়েছিল। নতুন করে কাজ শুরু হওয়ায় তাঁরাও আবার কাজ পাবে।’ ফকির আলি, জীবন সিকদাররা বলেন, ‘তেল তোলার কাজ চলতে চলতে আচমকাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় জমি সংক্রান্ত সমস্যা মিটে যাওয়ার পরই কাজ শুরু হয়েছে। আমরা ভালো কিছুর আশা করছি।’ অশোকনগর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রবোধ সরকার বলেন, ‘রাজ্য সরকারের সাড়ে তিন একর জমিতেই কাজ শুরু হয়। জমির জন্য পুরসভার পক্ষ থেকে নো-অবজেকশন চিঠিও দেওয়া হয়েছে। শিল্পের প্রসারে মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর আশা করি, আর কোনও প্রতিবন্ধকতা থাকবে না।’



