জানি, এসিএল-টু’তে খেলতে না যাওয়া নিয়ে সমর্থকরা অখুশি। আমি রাজি থাকলেও ফুটবলাররা ইরানে যেতে চায়নি। সমর্থকদের আবেগ বুঝতে পারছি। কিন্তু আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। অনুরাগীদের বলব, ডার্বির ৯০ মিনিট আপনারা ক্ষোভ-রাগ ভুলে দলকে সমর্থন করুন। ইস্ট বেঙ্গলের সমর্থকরা মাঠে এসে তাদের প্লেয়ারদের জন্য গলা ফাটাবে। আমাদেরও আপনাদের প্রয়োজন। সমর্থকরাই আমাদের শক্তি। আর ডার্বির গুরুত্ব নিয়ে আলাদা করে কিছু বলার নেই। ডুরান্ডে কয়েকটি ভুলের জন্য বড় ম্যাচ হেরেছিলাম। আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে তার জবাব দিতে চাই। প্রমাণ করতে হবে, আমরা ভালো দল। গত ডার্বির ভুলের পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেদিকে সতর্ক সবাই। তবে এবার প্র্যাকটিস হলেও পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলার সুযোগ পাইনি। পুরোপুরি ছন্দে ফিরতে হলে আরও বেশি ম্যাচ খেলতে হবে। পাশাপাশি মরশুমের শুরু থেকেই চোট সমস্যায় ভুগছে মনবীর। আজ প্র্যাকটিস করছে তো কাল সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তিত। যদিও গতকাল দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছে। ম্যাচের দিন সকালে ওর খেলার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব। আশা করি, ও খেলতে পারবে। আর প্রতিপক্ষ নিয়ে বেশি কিছু বলার নেই। প্রতিটি ম্যাচই নতুন চ্যালেঞ্জ। আর হিরোশিকে আমি দেখিনি। তাই তাকে নিয়ে মন্তব্য করা অনুচিত। শনিবার ফাইনালে লড়াইটা মোহন বাগান বনাম ইস্ট বেঙ্গলের। ভালো খেলেই শিল্ড ফাইনালে পৌঁছছে দল। এবার খেতাব জিততে হবে। ফাইনালের আগে প্রতিপক্ষ আমাদের চেয়ে একদিন বেশি বিশ্রাম পেয়েছে ঠিকই। তবে আমি তা নিয়ে খুব একটা ভাবছি না। আমাদের লক্ষ্য, ভালো খেলে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানো।



