মুম্বই: তিন ইনিংসে দুটো হাফ-সেঞ্চুরি। তার মধ্যে একটা ম্যাচ-জেতানো ৭৩ নট আউট। মোট সংগ্রহ ১৬৬। কোটিপতি লিগে সর্বাধিক রানসংগ্রহকারীর তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছেন জস বাটলার। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে ব্যর্থতাকে ঝেড়ে ফেলে গুজরাত টাইটান্সের হয়ে চেনা ছন্দে তিনি। সংবাদ সংস্থাকে বাটলার বলেছেন, ‘অনেক খোলা মনে খেলছি। ক্যাপ্টেন হলে দলের ব্যর্থতার চাপ পারফরম্যান্সে পড়ে। জেতার রাস্তা খোঁজার জন্য চিন্তাভাবনায় প্রচুর সময় ও এনার্জি খরচ হয়। আইপিএলে সেই চাপ আমার নেই। মানসিকভাবে অনেক রিল্যাক্সড রয়েছি। শুধু নিজের খেলাতেই মন দিতে পারছি। তার প্রতিফলনও ঘটছে পারফরম্যান্সে।’
টি-২০ ক্রিকেটে মূলত ওপেনার হিসেবেই পরিচিত বাটলার। কিন্তু সম্প্রতি ইংল্যান্ডের হয়ে তিন নম্বরে নেমেছেন তিনি। গুজরাতের হয়েও প্রথম উইকেট পড়লে ক্রিজে যাচ্ছেন। ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে বাটলারের মন্তব্য, ‘তিনে নেমেও স্বচ্ছন্দই বোধ করছি। এখন ইংল্যান্ডের হয়েও এই জায়গায় নামি। ওপেনার হিসেবে খেলার অভিজ্ঞতাই কাজে লাগাচ্ছি। এই দুর্দান্ত দলের অংশ হতে পারে গর্বিত।’
টাইটান্সের দুই ভারতীয় ওপেনার শুভমান গিল ও সাই সুদর্শনের প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত বাটলার। গিলকে নিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘অসাধারণ ক্যাপ্টেন। ওর নেতৃত্ব গুণ প্রশংসনীয়। সামনে থেকে দল পরিচালনা করে। গিলের নেতৃত্বে খেলা উপভোগ করছি।’ এই মরশুমে এখনও পর্যন্ত সুদর্শনের ব্যাটে এসেছে ১৮৬ রান। বাঁ-হাতিকে নিয়ে বাটলার বলেছেন, ‘ব্রিলিয়ান্ট প্লেয়ার। ও মন ভরিয়ে দিয়েছে। কাছ থেকে দেখে উপলব্ধি করেছি যে, ওর ভবিষ্যৎ রীতিমতো উজ্জ্বল। সুদর্শন দারুণ ধারাবাহিকও। সব ধরনের শট মারার ক্ষমতা রয়েছে। আগামী দিনে ওর দিকে নজর রাখতেই হবে।’
ছয় বছর রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলেছেন বাটলার। তবে গত বছর মেগা নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে দেয় তারা। বাটলার অবশ্য পিছনে ফিরে দেখতে চাইছেন না। তিনি বলেন, ‘গুজরাত টাইটান্স দলে এসে বেশ ভালোই লাগছে। দুর্দান্তভাবে স্বাগতও জানানো হয়েছে আমায়। এখানে বন্ধুত্বপূর্ণ আবহাওয়া। সেটাও কম বড় পাওয়া নয়।’