লন্ডন: ডিআরএস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সুনীল গাভাসকর। রবিবারের দ্বিতীয় সেশনে ইংল্যান্ডের জো রুটের বিরুদ্ধে এলবিডব্লুর জোরালো আবেদন করেন মহম্মদ সিরাজ। আম্পায়ার আঙুল না তোলায় রিভিউ নেয় ভারত। দেখা যায়, স্টাম্পের একবারে সামনে বল পায়ে লেগেছে রুটের। শাফল করে অফস্টাম্পে সরে এলেও পায়ে বল লাগার মুহূর্তে বাকি দুটো স্টাম্প স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। তারপরও এটাকে ‘আম্পায়ার্স কল’ করা হয়। অর্থাৎ, বল স্টাম্পে লাগবে কিনা তা নিয়ে আম্পায়ারের মতই প্রাধান্য পায়। আর এই নিয়েই সরব সানি। ধারাভাষ্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা কীভাবে আম্পায়ার্স কল হল, বুঝলাম না। রুট অফস্টাম্প থেকে অনেকটাই সরে এসেছিল। মিডল স্টাম্প, লেগস্টাম্প স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। আমি তো কিছুতেই ধরতে পারছি না যে কেন বল ট্র্যাকিং এমন দেখাবে। কোনওভাবেই এটা নট আউট হতে পারে না।’
কমেন্ট্রি বক্সের মতো মাঠেও মাঝে মাঝেই উত্তেজনার প্রকাশ দেখা যাচ্ছে। দু’পক্ষ জড়িয়ে পড়ছে বাদানুবাদে। শনিবার শেষবেলায় ইংল্যান্ডের ওপেনার জ্যাক ক্রলি অহেতুক সময় নষ্ট করার জন্য রেগে যান শুভমান গিল। এই ব্যাপারে ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন বলেন, ‘এভাবেই তো সময় নষ্ট করা হয়। ব্যাপারটা আমার মোটেই দৃষ্টিকটু লাগেনি। তাছাড়া ভারতের অভিযোগ করার কোনও জায়গা নেই। গিলও তো হ্যামস্ট্রিংয়ের টানের কারণে দেরি করেছে। এসব নাটকীয়তার জন্য কেউ অভিযোগ করতে পারে না।’ ভারত অধিনায়কের আক্রমণাত্মক হাবভাবের সমালোচনা করেছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার জোনাথন ট্রটও। তিনি আবার বিরাট কোহলির ছায়া দেখছেন তাঁর মধ্যে।
ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী অবশ্য পাশে দাঁড়িয়েছেন গিলের। তিনি বলেছেন, ‘ভারতীয় দলের হয়ে খেললে আমিও গিলের মতো প্রতিবাদ জানাতাম। এটাকে আমরা তামাশা বলি। যতক্ষণ নিয়মের মধ্যে রয়েছে, ততক্ষণ গিলের রেগে যাওয়ার মধ্যে কোনও অন্যায় নেই।’ উল্লেখ্য, গিলের আগ্রাসনের পাশাপাশি রবিবার বেন ডাকেটকে আউট করে মহম্মদ সিরাজের উত্তেজিত ‘সেন্ড অফ’ নিয়েও চলছে চর্চা।