নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: জমিজমা নিয়ে পারিবারিক অশান্তির জেরে হাওড়ায় এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। গত সপ্তাহে ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকড়ার মুন্সিডাঙ্গা এলাকায়। ওই ঘটনার জেরে গুরুতর আহত ছাত্র শাহিদ গাজি বর্তমানে বাড়িতে চিকিৎসাধীন। মাথায় চোটের কারণে এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে পারেনি সে। ইতিমধ্যেই পরিবারের এক সদস্যের বিরুদ্ধে ডোমজুড় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন জখম ছাত্রের বাবা আবুল হোসেন গাজি।
Advertisement
মুন্সিডাঙ্গার গাজিপাড়ার বাসিন্দা আবুল হোসেন গাজি তাঁর পৈতৃক বাড়িতেই পরিবার নিয়ে থাকেন। একই বাড়িতে পরিবার নিয়ে থাকে ছোট ভাই মন্দার হোসেন গাজিও। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে মুদিখানার দোকান রয়েছে আবুল সাহেবের। তাঁর ছেলে শাহিদ গাজি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। জগাছা হাইস্কুলে পরীক্ষার সিট পড়েছিল তার। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ভাই মন্দারের সঙ্গে বাড়ির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে আবুল সাহেবের বচসা চলছিল। এমনকী, মাঝেমধ্যেই ভাই তাঁকে হুমকি দিত বলে অভিযোগ। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আবুল সাহেব দোকানে থাকাকালীন লোকজন নিয়ে তাঁর বাড়িতে চড়াও হয় মন্দার। অভিযোগ, আবুল সাহেবকে না পেয়ে তাঁর ছেলে শাহিদকে মারধর করে তারা। লাঠি ও হাতুড়ি জাতীয় ভারী বস্তু দিয়ে শাহিদের মাথায় ও কাঁধে মারা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে হাওড়ায় এবং পরে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে ছুটি পেলেও বাড়িতে চিকিৎসা চলছে। মাথা ও কাঁধে তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে শয্যাশায়ী এই পরীক্ষার্থী।
শাহিদের বাবা আবুল সাহেব বলেন, ‘আমার ছেলেকে এমনভাবে মেরেছে যে, সে এখনও ঘাড় নাড়াতে পারছে না। দু’টি পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। এবার আর ও উচ্চ মাধ্যমিকে বসতে পারল না। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু পুলিস এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি।’ আতঙ্কে পরিবার নিয়ে এখন অন্যত্র রয়েছেন আবুল সাহেব। পুলিস জানিয়েছে, এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্ত চলছে। -নিজস্ব চিত্র
শাহিদের বাবা আবুল সাহেব বলেন, ‘আমার ছেলেকে এমনভাবে মেরেছে যে, সে এখনও ঘাড় নাড়াতে পারছে না। দু’টি পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। এবার আর ও উচ্চ মাধ্যমিকে বসতে পারল না। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু পুলিস এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি।’ আতঙ্কে পরিবার নিয়ে এখন অন্যত্র রয়েছেন আবুল সাহেব। পুলিস জানিয়েছে, এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্ত চলছে। -নিজস্ব চিত্র



